বাঁকড়ায় হাতি সমাচার

এম আলমগীর, বাঁকড়া(ঝিকরগাছা):
ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া এলাকায় হাতি নিয়ে টাকা আদায়ে বিব্রত অবস্থায় দোকানি ও গ্রামের গৃহিনীরা। আতংকিত হচ্ছে শিশু।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে একটি হাতি নিয়ে বাঁকড়া এলাকার বিভিন্ন রাস্তায়, বাজারে ও বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে। হাতি বাড়ি প্রতি ২০ টাকার নিচে হাতি নিচ্ছে না। কেউ ১০ টাকা দিলে হাতি সূর দিয়ে সে টাকা ফেলে দিচ্ছে এবং মাহুত (হাতি চালক) বিভিন্ন অপমানমূলক কথা বলছে। এতে করে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছেন গ্রামের গৃহিনীরা। একাধিক সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বাঁকড়া- ঝিকরগাছা সড়কের হাতি দাড় করিয়ে বাস, ট্রাক, মটরসাইকেলসহ চলাচলরত মানুষকে আটকিয়ে টাকা আদায় করে। বৃহষ্পতিবার সাদিপুর বকুলতলা বাজারে প্রত্যেক দোকান থেকে ১০ টাকা করে আদায় করেছে। শনিবার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আসে। প্রত্যেক বাড়িতে যেয়ে এবার ২০ টাকার নিচে নিচ্ছে না হাতি। এতে করে গ্রামের গরীব গৃহিনী বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে। চালও নেবে না ওই হাতি। ১০ টাকা দিলে শুড় দিয়ে ফেলে দিচ্ছে। এসময় শিশু বিশাল আকৃতির ওই হাতি দেখে কান্নাকাটি শুরু করে। নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আসাদুজ্জামান ডবলুর মেয়ে মিমি, তফিকুল ইসলাম ডিটুর মেয়ে অরিশাসহ কয়েকটি শিশু আতংকিত হয়ে কান্নাকাটি করে এবং ভয়ে অনেক শিশু ঘরের ভেতরে লুকিয়ে থাকে। ১০ টাকা কেন নেবে না প্রশ্ন করলে হাতির চালক জানায়, না নিলে আমার কিছু করার নেই। এটাকে চাঁদাবাজি বললে, সে জানায় চাঁদাবাজি করলে ৫শ অথবা এক হাজার টাকা নিতাম। এমন টাকা আদায়ের কোন বৈধতা আছে কিনা জানতে চাইলে সে জানান, লাইসেন্স আছে। আমরা সরকারকে ভ্যাট দিই।