যশোর জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীরকে বিদায়ী সংবর্ধনা: ‘অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের পর যশোর আমার প্রিয় শহর’

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোরের বিভিন্ন সামাজিক, পেশাজীবি ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরের পরে যশোর আমার প্রিয় শহর । জন্ম স্থান খুলনাতে যাওয়া আসার সময় যশোরে প্রবেশের সাথে সাথে আমার মনে হবে আমি আমার মায়ের কাছে এসেছি। আবেগ অপ্লুত হয়ে তিনি বলেন এই জেলায় তিন বছরের কর্মময় সময়ে এখানকার মানুষ আমাকে বড় আপন করে নিয়েছে। আমি কখনোই এখানকার আতিথিয়তা ভুলতে পারবোনা। কখনোই শোধ করতে পারবোনা এই ভালোবাসার ঋণ।
শনিবার সকালে যশোর কালেক্টরেট স্কুল মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ শিক্ষক তারাপদ দাস। এসময় অর্ধশতাধিক সংগঠনের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠনের আয়োজন করা হয়। সকাল সাড়ে ১১ টার সময়ে সহধর্মিনী রুনা লায়লাকে সাথে নিয়ে অনুষ্ঠান স্থলে পৌছালে সকলেই যেন আপ্লুত হয়ে পড়েন। বিদায়ী অতিথির সাথে করমর্দন করে নতুন করে ভালোবাসার বহি:প্রকাশ ঘটায় তারা। ফুলে ফুলে সিক্ত করে দেয় বিদায়ী অতিথিকে। প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার আলম খাঁন দুলুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার রাজেক আহমেদ, রাইটস্ যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃঞ্চ মল্লিক, বাঁচতে শেখার নির্বাহী পরিচালক অ্যাঞ্জেলা গোমেজ, প্রেসক্লাব যশোরের সম্পাদক এসএম তৌহিদুর রহমান, যশোর ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলম, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ হাসান বুলু,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু সালেহ তোতা,সাংস্কৃতিক জোটের ভারপাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারু প্রমুখ। এসময় জেলা প্রশাসকের সহধর্মিনী রুনা লায়লা বলেন ভবিষ্যতে ড. হুমায়ুন কোন প্রয়োজনে যশোরে আসলে আমন্ত্রণ না পেলেও আমি যশোরে ছুটে আসবো। তিনি বলেন এখানকার মানুষ অতিথি পরায়ন।