সাম্য ও সম্প্রীতির ইফতার মসজিদে-১৬> উপশহর খাজুরা বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে ইফতার করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকরা

মিরাজুল কবীর টিটো>
সারাবছরের পাপ মোচনের জন্য মানুষ বেশি ইবাদত করেন রমজান মাসে। আর রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ সারাদিন রোজা শেষে ইফতার করা। এ মাসে যশোর উপশহর খাজুরা বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে প্রতিদিন ইফতার করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকসহ ৫০ থেকে ৬০জন মুসল্লি। স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা ইফতারির ব্যবস্থা করেন। মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা উসমান গনি জানান, মসজিদ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইফতার করানোর ব্যবস্থা চালু ছিল না। স্থানীয় যুবলীগ নেতা মুনসুর আলম ও মসজিদ কমিটির সদস্য আবুল এহসান সুজনের উদ্যোগে গত বছর মসজিদে ইফতার করানোর নিয়ম চালু করেন। সেই নিয়ম অনুযায়ী এবার রমজানে মাসজুড়ে প্রতিদিন স্থানীয় পরিবহন শ্রমিক ও মুসল্লিরা এ মসজিদে ইফতার করেন। মসজিদ কমিটির সদস্য আবুল এহসান সুজন জানান, খাজুরা বাসস্ট্যান্ডের মসজিদটি স্থাপিত পাকিস্তান আমলে। এটি ছিল গোল মার্কেটের ভিতরে। সেখানে হাউজিং ঘর নির্মাণ করে। এ কারণে এখান থেকে মসিজদটি সরিয়ে মার্কেটের দক্ষিণ পাশে নির্মাণ করা হয়। রমজান মাসের শুরু থেকেই মসজিদে ইফতার করেন শ্রমিক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাদের সাথে ইফতারিতে অংশ নেন আশপাশের মুসল্লিরা। প্রতিদিন মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় মসজিদে রোজাদার ব্যক্তিদের ইফতার করানো হয়। ইফতার করানোর পর মুসল্লিরা এ মসজিদে নামাজ আদায় করেন। কারণ গোল মার্কেট এলাকায় একটি মাত্র মসজিদ।