ক্ষমতাধর নৈশপ্রহরী কামরুল!

নিজস্ব প্রতিবেদক, মণিরামপুর >
নাম কামরুল ইসলাম, চাকরি করেন মণিরামপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে নৈশপ্রহরী পদে। কিন্তু ক্ষমতার দাপট কম নেই তার। অনেক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকরাও ধরাশায়ী এই কামরুলের কাছে। তাকে ঘুষ না দিয়ে পান না কেউ কোন প্রশিক্ষণ। গত বৃহস্পতিবার থেকে এলএসবি (জীবন দক্ষতার) উপর তিনদিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয় শিক্ষকদের নিয়ে। যশোর জিলা স্কুলে মণিরামপুরের স্কুল, মাদ্রাসার তিন শতাধিক শিক্ষককে পাঠানো হয়েছে এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। কিন্তু কেউ পার পাননি খালি হাতে। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণে অংশ নিতে প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে তিন শ’ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এ কামরুল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই অফিসের একজন জানান, এ দুঃসাহস কামরুলের একার নয়, তার বস তাকে দিয়ে করাচ্ছে মূলত। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩শ’ শিক্ষককে পাঠানোর বিবরীতে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে নব্বই হাজার। যেখানে এক টাকাও নেওয়ার কোন বিধান নেই। ভূক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, মণিরামপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এখন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। যা নিরবেই মেনে নিচ্ছেন উপজেলার অসহায় শিক্ষক-কর্মচারীরা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আকরাম হোসেন খাঁন টাকা লেনদেনের বিষয়টি তিনি আদৌ জানেন না বলে দাবি করেন। তবে নৈশপ্রহরী কামরুল এ বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চায়নি।

মণিরামপুরে তিন কলেজ ছাত্রকে
ভ্রাম্যমান আদালতে কারাদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক>
মণিরামপুরে মাদক সেবনের দায়ে তিন কলেজ ছাত্রকে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার জুড়ানপুর গ্রামের মাঠে পৌর শহরের হাকোবা গ্রামের গোপাল দে’র ছেলে উত্তরা পলিটেকনিক ইন্সিটিউটিরে ছাত্র মান্না দে, দূর্গাপুর গ্রামের আমিনুর রহমানের ছেলে, নওয়াপাড়া আকিজ পলিটেকনিক ইন্সিটিউটিটের ছাত্র সাজ্জাদ আমিন ও জুড়ানপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মণিরামপুর কলেজের ছাত্র আসাদুজ্জামান সাব্বির মাদক গ্রহন করছিল। খবর পেয়ে মণিরামপুর থানা পুলিশ তাদেরকে আটক করে থানায় আনে। পরে রাত ১১ টার দিকে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)লিংকন বিশ্বাস ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদের প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে কারাদন্ড দেন।