ডুমুরিয়ায় ডোংরা খাল দখলমুক্ত করেছে জনগণ

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি >
অবশেষে ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া ডোংরা খাল অবৈধ দখলমুক্ত করেছে স্থানীয় জনগণ।  শুক্রবার সকালে এলাকার শতাধিক জনগণ স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে খালে একাধিক অবৈধ বাঁধ অপসারণ করে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নের টিপনা ও খর্ণিয়া বিলের মাঝ দিয়ে ডোংরা নামে একটি প্রবাহমান খাল রয়েছে। ওই খাল দিয়ে খর্ণিয়া, টিপনা, আঙ্গারদহা, রানাইসহ ৬/৭ টি বিলের পানি নিস্কাশন হয়ে থাকে। ১৯৯৪ সালে ১০ অক্টোবর ১২৯/৯৪-৯৫নং বন্দোবস্ত কেসে খর্ণিয়া গ্রামের মৃত খবিরুদ্দিন শেখের পুত্র জহুরুল ইসলাম শেখ প্রবাহমান ওই খালটি ভরাটি জমি দেখিয়ে ২২৮১ ও ২২৮৮ দাগে ৬৬ শতক জমি বন্দোবস্ত নিয়ে আরও ২ একরের বেশি সরকারী খাল দখল করে দীর্ঘ ১০/১৫ বছর যাবত ভেড়িবাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে পানি সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছেন। এ কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি নিস্কাশনে বাঁধা হওয়ায় জলাবদ্ধতার শিকার হন এ অঞ্চলের কৃষক। এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অবৈধ বাঁধ অপসারণে কয়েক দফা পদক্ষেপ নিয়েও কোন কাজ হয়নি। উপায়ন্ত না পেয়ে এলাকাবাসী গত ১১ জুন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট ডোংরা খালে অবৈধ বাঁধ অপসারন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানিয়ে এক লিখিত আবেদন করেন। এদিকে গতকাল শুক্রবার সকালে খর্ণিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে এলাকার শতাধিক মানুষ খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ করেছেন। কথা হয় পাঁচুড়িয়া গ্রামের কৃষক আবুল কাশেম সরদারের সাথে, তিনি বলেন অবৈধভাবে সরকারি খালে বাঁধ দেওয়াতে প্রতিবার বর্ষাকালে জলাবদ্ধ হওয়ায় মাছ চাষসহ সবজি চাষে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এমন অভিযোগ অছেক আলী শেখ, গোপাল বিশ^াস, কৃষ্ণপদ শীলসহ একাধিক ব্যক্তির। খালটি দখলমুক্ত হওয়াতে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।