শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় টুপি আতর সুরমার দোকানে উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক>
শেষ মূহুর্তে যশোর শহরে ঈদের কেনাকাটায় টুপি, আতর, সুরমার দোকানে উপচে পড়া ভিড়। বাহারী রঙ ও ডিজাইনের টুপি এবং মনোমুগ্ধকর সুগন্ধী আতর পাওয়া যাচ্ছে দোকানগুলোতে। স্থায়ী দোকান ছাড়াও, রাস্তার পাশে ও ভ্যান রিকসায় ভ্রাম্যমাণ দোকানে বিক্রি হচ্ছে টুপি, আতর, সুরমা। শেষ মূহুর্তের কেনাকাটায় ক্রেতাদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিক্রেতাদের। গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা। এবার ১০ টাকা থেকে ৫শ’ টাকার টুপি ও ৫ টাকা থেকে এক হাজার টাকা দামের আতর পাওয়া যাচ্ছে দোকানগুলোতে।
যশোর শহরের এইচএমএম রোডের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান মরহুম আলহাজ মাওলানা আব্দুর রউফ সাহেবের এমদাদিয়া কুতুবখানার স্বত্ত্বাধিকারী মৌলভী জাকারিয়া জানিয়েছেন, রোজার শুরু থেকে টুপি আতরের বিক্রি বেড়েছে। বিদেশি টুপির চেয়ে দেশি টুপির চাহিদা বেশি ক্রেতাদের । তাই ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন নামের বাহারী রঙ ও ডিজাইনের টুপি পাওয়া যাচ্ছে তার দোকানে। ১০ টাকা থেকে ৩শ’ টাকার টুপির চাহিদা বেশি ক্রেতাদের ।
তিনি জানান, দেশি বিভিন্ন কোম্পানির টুপির পাশাপাশি ক্রেতাদের কাছে দেশি টুপির চাহিদা বেশ। বিদেশি টুপির মধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি, পাকিস্তান, ভারত, ওমান, বার্মিজ এবং দেশি টুপি মধ্যে নেট, হাজি টুপি, চিকেন, পাঁচ কলি, মখমালি টুপি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া শহরে ভ্যান-রিকসায় ভ্রাম্যমাণ টুপি, আতর, সুরমা বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেজ সিস্টেমে টুপি, আতর সুরমা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা। বিক্রেতারা জানান সারাদিন শহরের অলি গলি ঘুরে বিক্রি ভালো হচ্ছে। তবে এসব ভ্রাম্যমাণ দোকান ঈদের পর থাকবেনা বলে জানিয়েছেন দোকানীরা।
আতর মাখা সুন্নত। ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে প্রত্যেক মুসলমান আতর মেখে যেতে ভালোবাসেন। তাই দোকানগুলোতে আতরের ক্রেতা সমাগমও বেশ। এমদাদিয়া কুতুবখানা, দারুল মা আরিফ, আশফাকিয়া কুতুবখানা, রহমানিয়া কুতুবখানা, আহমাদিয়া, ভাই ভাই স্টোরে দেশি-বিদেশি সুগন্ধি আতর পাওয়া যাচ্ছে। দেশি-বিদেশি হরেক নামে নানা আতর ১০ টাকা থেকে এক হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
টুপি, আতর-সুরমার পাশাপাশি, হাজি রুমাল, কোরআন শরীফ, হাদিস, তসবি ও জায়নামাজও ভালো বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন এবার টুপি ও আতরের বিক্রি বেশ ভালো।