চুকনগরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুর্ধর্ষ ডাকাত রবিউল ওরফে কুমোর নিহত

চুকনগর (খুলনা) প্রতিনিধি:
ডুমুরিয়ার চুকনগরে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুর্ধর্ষ ডাকাত রবিউল ইসলাম (৩৫) বাদশা ওরফে কুমোর নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর হাছানিয়া মাদ্রাসা রোডের পাশে বিলে এ ঘটনা ঘটে। ডাকাত রবিউল ওরফে কুমোর মালতিয়া গ্রামের জাফর শেখের ছেলে। সে তালা উপজেলার পাঁচরোখী গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। এ সময় ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ সুকুমার বিশ্বাসসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১টি দেশি ওয়ান শুটারগান, ৪ রাউন্ড বন্দুকের গুলি, ২টি ককটেল, চাপাতি ও হাসুয়া উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি কুমোর মালতিয়া গ্রামের একটি ঘেরের বাসায় বৃহস্পতিবার রাতে আত্মগোপন করেছিল। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই রবিউল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ডাকাত কুমোরকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শুক্রবার রাত ২টার দিকে চুকনগর এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত কুমোরের অন্যান্য সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও এ সময় তাদের লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি ছোড়ে। দু’পক্ষের গুলি বিনিময়কালে ডাকাত রবিউল ইসলাম ওরফে কুমোর গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তার সহযোগীরা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ওসি সহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। আহত ডাকাত কুমোরকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ওসি আরও জানান, রবিউল ওরফে কুমোরের বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানায় ডাকাতিসহ ৫টি মামলা রয়েছে। চুকনগর নন্দি বাড়ি ডাকাতি মামলায় সম্প্রতি সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সে দক্ষিণাঞ্চলে আন্ত: ডাকাত দলের প্রধান ছিল। তার বিরুদ্ধে কেশবপুর, মণিরামপুর ও পাইকগাছা থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে।