ব্যাটিং পজিশন নিয়ে চিন্তিত ইমরুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক>
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম এখনো শান্ত-নীরব। যদিও ঈদের ছুটি শেষ হয়েছে বেশ আগেই। কিন্তু রেশটা এখনো কাটেনি। এই নীরবতার মধ্যেও দু-একজন খেলোয়াড়কে অবশ্য দেখা যাচ্ছে, তাদের সময় কাঁছে জিমে। গতকাল জিমে অনেকটা সময় কাাঁলেন ইমরুল কায়েস। ব্যাটিং নিয়ে অনেক কাজ করেছি। এখন কাজ করব ফিটনেস নিয়ে’-আগস্টে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে নিজের প্রস্তুতি নিয়ে বলছিলেন ইমরুল। টেস্টে ব্যাটিং অর্ডার ঠিক না থাকা নিয়ে আভাসে-ইঙ্গিতে মাঝে মাঝেই কথা বলেছেন ক্রিকেটাররা। এবার ইমরুল কায়েস স্পষ্ট করেই বললেন, ব্যাটিং অর্ডার ঠিক না থাকলে সবারই সমস্যা হয়।
কখনো ওপেনিং, কখনো তিনে-বারবার নিজের ব্যাটিং পজিশন পরিবর্তনে ইমরুলের ভেতর কাজ করছে একধরনের অস্বস্তি, ‘এটা শুধু আমার নয়, সবার জন্য সমস্যা। একটা উদাহরণ দিই, আপনি অফিসে গিয়ে যদি দেখেন আপনার ডেস্ক পরিবর্তন হয়ে অন্য জায়গায় গেছে, তখন কাজ করতে অস্বস্তি লাগবে। বিষয়টা শুধু ক্রিকেটে নয়, জীবনের সব জায়গায় প্রভাব পড়ে (জায়গা বদলে)।’
এদিকে বোর্ডের সঙ্গে খেলোয়াড়দের টানাপোড়েনে অনিশ্চয়তার চাদরে ঢাকা পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফর। যেহেতু এটা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাপার, বাংলাদেশ শুধু নিজেদের প্রস্তুতি নিয়েই ভাবছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ জুলাই শুরু হবে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ট্রেনিং। কন্ডিশনিং ক্যাম্পটা যে ভীষণ কাজে দেবে, সেটিই বলছিলেন ইমরুল, ‘অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে কন্ডিশনিং ক্যাম্পে প্রায় তিন সপ্তাহের মতো ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পারব। ফিটনেসের জন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ফিটনেস ঠিক রাখা আমাদের প্রথম লক্ষ্য। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে অবশ্যই ভালো করতে চাই। যদি সুযোগ পাই ভালো কিছুর চেষ্টা করব।’
জশ হ্যাজলউড-জেমস প্যাটিনসন-প্যাট কামিন্সদের নিয়ে গড়া অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিং আক্রমণটা যথেষ্ট পরীক্ষা নেবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। পেস আক্রমণ যেমনই হোক, সেটি নিয়ে ভাবছেন না ইমরুল, ‘আন্তর্জাতিক প্রত্যেকটি দলে ভালো পেস আক্রমণ থাকে। অস্ট্রেলিয়ারও আছে। এটা নিয়ে এখন কেউ চিন্তা করে না। বাংলাদেশ দল পেস খেলতে পারে না বা গতিময় বোলিংয়ের সামনে দুর্বল, এমনটা এখন নেই। এখন সবাই পেস বল ভালো খেলে, ভালো সামলাতে পারে।’

চীন ভ্রমণ শেষে দেশে
ফিরলেন সাকিব
ক্রীড়া প্রতিবেদক
সৌভাগ্যবান পাঁচ বিজয়ী ২৯ জুন সাকিব আল হাসানের সঙ্গে যান চীন ভ্রমণে। চাইনিজ মোবাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘হুয়াওয়ে’র ক্যাম্পেইন ‘সাকিবের সাথে চায়না, কে যেতে চায় না’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সৌভাগ্যবান পাঁচ বিজয়ী সাকিবের সঙ্গে ঘুরে এসেছেন চীন। সেখানে চীনের মহাপ্রাচীর, হুয়াওয়ের গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র, হুয়াওয়ের শো-রুম, শেনঝেনে অবস্থিত হুয়াওয়ের প্রধান কার্যালয় এবং চীনের কালচার পার্ক ঘুরে দেখেন তারা।
চীন সফর নিয়ে সাকিব বলেছেন, ‘চীনের সৌন্দর্য এবং সেখানে হুয়াওয়ের বিশ্বমানের স্থাপনাগুলো দেখতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। এটা একটা স্মরণীয় সফর। হুয়াওয়ে বৈশ্বিকভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ এবং ডিভাইস শিল্পখাতে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজ করছে। আমি হুয়াওয়ের সাথে থাকতে পেরে গর্বিত।’
হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ডিভাইস সেলস ডিরেক্টর জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ‘এ সফরের মাধ্যমে বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সাকিব আল হাসান এবং ভাগ্যবান বিজয়ীদের অভূতপূর্ব ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়েছে।’
হুয়াওয়ে কনজ্যুমার বিজনেস গ্র“প আয়োজিত ‘সাকিবের সাথে চায়না, কে যেতে চায় না’ শীর্ষক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সৌভাগ্যবান ভক্তদের বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। এই ক্যাম্পেইন ১১ জুন শুরু হয়ে চলেছে ২৩ জুন পর্যন্ত। আগ্রহীরা চাইনিজ মোবাইল প্রতিষ্ঠানটির স্টোরে গিয়ে সেলফি তুলে নিজস্ব ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে #ঝযধশরনবৎঝধঃযবঈযরহধ হ্যাশট্যাগ টাইপ করে নিজস্ব ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এতে অংশ নিয়েছিল। ওখানে সাকিব সম্পর্কে কয়েকটি সহজ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পরই নির্বাচন করা হয়েছে সেরা পাঁচ।

তিন সংস্করণেই পাকিস্তানের
অধিনায়ক সরফরাজ
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের বাসভবনে পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি চ্যাম্পিয়ন দল গতকাল গেল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। সেখানেই আরো বড় পুরস্কার অপেক্ষা করছিল শিরোপাজয়ী পাকিস্তান দলের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের জন্য। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান সেখানে তিন সংস্করণেই পাকিস্তানের অধিনায়ক হওয়ার প্রস্তাব দেন সরফরাজকে। ওয়ানডে আর টি২০ অধিনায়ক ছিলেন আগেই। এবার টেস্টের নেতৃত্বও গ্রহণ করলেন সরফরাজ।
উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান সরফরাজ ২০১৬ টি২০ বিশ্বকাপের পর প্রথম নেতৃত্ব পেলেন। সেটি শহীদ আফ্রিদির হাত থেকে দেশের টি২০ দলের নেতৃত্ব। আজহার আলি তখন ওয়ানডে এবং মিসবাহ উল হক টেস্ট দলের অধিনায়ক। এই বছরের ফেব্র“য়ারিতে আজহার ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব ছাড়লেন। সেটি তুলে দেওয়া হলো সরফরাজের কাঁধে। সরফরাজ তো জুনে ইংল্যান্ড থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা প্রথমবার তুলে দিলেন পাকিস্তানের ঘরে। মনে করা হয়েছিল আজহার টেস্ট অধিনায়ক হবেন। গত মে মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গেল পাকিস্তান দল। ওই সিরিজ খেলে মিসবাহ অবসরে যান। তাতে খালি হয়ে যায় টেস্ট অধিনায়কের পদ। সেই খালি পদই এবার পূরণ করলেন সরফরাজ। আবার পাকিস্তান ফিরলো তিন ফরম্যাটে এক অধিনায়কে।
২০০৬ সালে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল বিশ্বকাপ জিতেছিল। সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন সরফরাজ। পরের বছর তার ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়। ৩০ বছরের সরফরাজ এখন পর্যন্ত ৭৫টি ওয়ানডে খেলে ২ সেঞ্চুরিতে ১৬৪৪ রান করেছেন। ২৯ টি-টুয়েন্টিতে ৩৫৯ রান তার। আর ৩৬ টেস্টে ৩ সেঞ্চুরিতে ৪০.৯৬ গড়ে করেছেন ২০৮৯ রান। এখন পর্যন্ত তার নেতৃত্বে ৯ ওয়ানডের ৭টিতে জিতেছে পাকিস্তান, হেরেছে দুটিতে। আর ৮ টি২০তে তার নেতৃত্বে মোটে একটিতে হেরেছে পাকিস্তান। জিতেছে ৭টিতেই।

আজ অস্ট্রেলিয়ায় এইচপি
দলের প্রথম ম্যাচ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
আজ থেকে বিসিবির হাইপারফরম্যান্স বা এইচপি দলের ‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ শুরু হচ্ছে । এদিন প্রথম ওয়ানডেতে তাদের প্রতিপক্ষ নর্দার্ন টেরিটরি নির্বাচিত একাদশ। প্রথম ম্যাচে নামার আগে মাত্র একটি সেশন অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছেন ক্রিকেটাররা।
গতকাল সেই সেশন কতটা কাজে লেগেছে, তা কিছুটা হলেও বোঝা যাবে প্রথম ওয়ানডেতে। এইচপি দল অস্ট্রেলিয়া রওনা হওয়ার আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, প্রথম ম্যাচ হবে মঙ্গলবার। তবে আরেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ম্যাচটি আজ বুধবার হওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে এইচপি দলের পাঁচটি ওয়ানডে ও একটি তিন দিনের ম্যাচের মধ্যে শুধু প্রথম ম্যাচের তারিখ বদল হয়েছে। পরের চারটি ওয়ানডে হবে ৬, ৭, ৯ ও ১১ জুলাই। ১৩ জুলাই শুরু তিন দিনের ম্যাচ। সব ম্যাচের ভেন্যু মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ড ১। বছরের এ সময়ে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রিকেটাররা ডারউইনে এসে অনুশীলন করেন। তাদেরকে নিয়ে গড়া দলের মুখোমুখি হবে এইচপি দল। ডারউইনে পাঁচটি ওয়ানডে ও একটি তিনদিনের ম্যাচ খেলা ছাড়াও দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশ নেবেন ক্রিকেটাররা। আগামী ১৬ জুলাই তাদের দেশে ফেরার কথা।
১৫ দিনের সফরে অস্ট্রেলিয়ায় গেছে বিসিবি এইচপি দল। ডারউইনে খেলবে পাঁচটি একদিনের আর একটি তিন দিনের ম্যাচ। ১৬ সদস্যের দলের সঙ্গে কোচ-সাপোর্ট স্টাফ আছেন, কিন্তু নেই কোনো নির্বাচক। সফরে কোন ক্রিকেটার কেমন করল, সেটি জানার জন্য নির্বাচকদের ভরসা স্কোরকার্ড আর কোচের প্রতিবেদন। নিজের চোখে দেখার উপায় নেই! কদিন আগে ইংল্যান্ডে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও কোনো নির্বাচক পাঠায়নি বিসিবি। অন্যতম নির্বাচক ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দূত হাবিবুল বাশার কদিনের জন্য গিয়েছিলেন ব্যক্তিগত সফরে।
আইসিসি টুর্নামেন্ট নির্বাচকদের না পাঠানো নিয়ে বোর্ডের একটি ব্যাখ্যা আছে। কিন্তু এবার এইচপি দলের সফরে নির্বাচক না পাঠানো বিস্ময়কর। রবিবার সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান যা বললেন, মনে হলো তিনিও বেশ অন্ধকারে আছেন। আইসিসি ইভেন্টের বাইরে সবগুলোতেই আমাদের নির্বাচক পাঠানো হয়। আইসিসি ইভেন্টে যেহেতু দল নির্বাচনের কিছু থাকে না, আগে থেকেই সব ফাইনাল থাকে, তাই পাঠানো হয় না। এইচপিতে পাঠাতে পারত। আমাদের সবগুলো বাইরের খেলাতেই আমরা পাঠাই, এটা আমি জানি। এটা একটা ট্রেনিং সফর হিসেবে গেছে বলে হয়ত পাঠানো হয়নি নির্বাচকদের। ওরাই তো দল নির্বচন করে দিয়েছে। সেটা একটা কারণ হতে পারে। আমি ঠিক জানি না, আমি তো আজকেই ফিরলাম (দেশের বাইরে থেকে)। বোর্ড প্রধান না জানলেও বোর্ডের অন্য কর্তাদের অনেকে হয়ত জানেন। নাজমুল হাসানের উত্তরের সময়ই বোর্ড পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস পাশ থেকে যোগ করলেন, এইচপির তো ওখানে ট্রেনিং ক্যাম্প হচ্ছে, কিছু প্রস্তুতি ম্যাচ হচ্ছে। রিপোর্ট পাওয়া যাবে। নির্বাচকদের যাওয়া মনে হয় জরুরি না।
প্রথমটুকু অবশ্যই ঠিক। এইচপি দলের এই সফর তাদের অনুশীলন প্রক্রিয়ারই অংশ। কিন্তু সত্যিই কি নির্বাচকদের যাওয়া জরুরি নয়? ক্রিকেটাররা তো এই সফরে ভালো খেলে নির্বাচকদের নজর কাড়ার কথা বলেছেনই যাওয়ার আগে। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীনও অনেক আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে এই সফরে।
১৬ সদস্যের এইচপি দল: লিটন দাস (অধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত (সহ-অধিনায়ক), এনামুল হক বিজয়, তানভীর হায়দার খান, মেহেদী মারুফ, ইমতিয়াজ হোসেন তান্না, আবু হায়দার রনি, আবু জায়েদ চৌধুরী রাহী, ইয়াসির আলী চৌধুরী, তাসামুল হক, ইরফান শুক্কুর, আবুল হাসান রাজু, নিহাদুজ্জামান, জুবায়ের হোসেন লিখন, সাইফ উদ্দিন ও ইবাদত হোসেন চৌধুরী।

নাচেও কম যান না
মেসি!
ক্রীড়া ডেস্ক
ফুটবল মাঠে লিওনেল মেসি কী পারেন, তা অজানা নয় কারোরই। তবে ডান্স ফ্লোরেও কম যান না তিনি। এবার যেন তারই প্রমাণ রাখলেন পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। গত ৩০ জুন সাত পাঁকে বাধা পড়েন লিওনেল মেসি এবং আনতোনেল¬া রোকুজ্জো। আর সেই বিয়ের অনুষ্ঠানেই স্ত্রী রোকুজ্জোর হাত ধরে নাচলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। এমনকি তা আবার ইন্সটাগ্রামের পোস্ট করে ভক্তদের দেখার সুযোগও করে দিয়েছেন বার্সেলোনার এই তারকা ফরোয়ার্ড।
আর্জেন্টিনার রোসারিওতে হওয়া বিয়ের অনুষ্ঠানের খবর সংগ্রহের সুযোগ সাংবাদিকরা পেয়েছিলেন। কিন্তু বিয়ে পরবর্তী আয়োজন ও উদযাপনের টিকেট মেলেনি তাদের। তাই ভেতরে উৎসবটা কেমন ছিল, মেসিভক্তদেরও তা জানা হয়নি। মেসির কল্যাণেই উৎসব কিছুটা উপভোগের সুযোগ পেলেন তার ভক্তরা। ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করা অল্প সময়ের ভিডিওতে দেখা গেছে, রোক্কুস্সোর সঙ্গে বেশ তাল মিলিয়ে নাচছেন মেসি। ফোরফোরটু তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, নাচের অনুষ্ঠানের বিচারকদের মুগ্ধ করার মতো যথেষ্ট ভালো নেচেছেন মেসি।
প্রসঙ্গত, লিওনেল মেসি এবং আনতোনেল¬া রোকুজ্জোর পরিচয়টা দীর্ঘ ২৫ বছরের। তার মানে, প্রায় ৮ থেকে ৯ বছরের প্রেম। অবশেষে একে অপরের বাহুতে চির জীবনের জন্য বাধা পড়লেন তারা। এরই মধ্যে দু’জনের কোল আলো করে পৃথিবীতে এসেছে দুটি পুত্র সন্তান।