অল্প সময়ে যুব মহিলালীগ আজ সুপ্রতিষ্ঠিত : শাহীন চাকলাদার

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোরে যুব মহিলালীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন চাকলাদার বলেছেন, ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের প্রতিবাদ জানাতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের সাথে রাজপথে নামে আওয়ামী পরিবারের নারী কর্মীরা। আর ২০০২ সালে তাদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষে জননেত্রী শেখ হাসিনা গঠন করেন যুব মহিলালীগ। তিনি বলেন, অল্প সময়ে যুব মহিলালীগ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে আজ সুপ্রতিষ্ঠিত।
শাহিন চাকলাদার বলেন, বিএনপি জামায়াত জোটের আগুন সন্ত্রাস বাংলার মানুষের হৃদয় থেকে মুছে যাবেনা। সারা জীবন মানুষ তাদেরকে ঘৃণার সাথে স্মরণ করবে। বেগম জিয়া আর তারেক জিয়ার অসৎ রাজনীতির খেলা থেকে মানুষ আজ মুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা দুখি মানুষের একমাত্র ঠিকানা। তাঁর হাতেই রয়েছে উন্নয়নের চাবি। শেখ হাসিনার অবস্থান এখন বিশ^নেতাদের কাতারে। আমাদের মহা সৌভাগ্য জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বে সরকার সকল সূচকে অনেক দেশ থেকে এগিয়ে। শাহিন চাকলাদার এই অবস্থা থেকে আরো সামনে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষে আগামীতেও নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকেই প্রধানমন্ত্রী বানাতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় জেলা যুব মহিলা লীগের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনাসভা। সংগঠনের সভাপতি মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালীর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বিপুল, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এসএম মাহামুদ হাসান বিপু,জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা সৈয়দা জারিণ রহমান, জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকলিমা আক্তার, জেলা ছাত্রলীগের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক শেখ সাদিয়া মৌরিণ প্রমুখ। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম জুয়েল। আলোচনাসভা শেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শাহিন চাকলাদারকে সাথে নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন যুব মহিলা লীগের নেতা কর্মীরা। এর আগে আওয়মী লীগ কার্যালয় প্রাঙ্গন থেকে বের হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উপলক্ষে শোভাযাত্রা। শহর প্রদক্ষিণ করে শোভাযাত্রা শেষে বকুলতলাস্থ জাতির জনক বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুস্পার্ঘ অর্পণ করা হয়।