জনপ্রশাসন পদক পাচ্ছেন যশোরের এডিএম মামুন উজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক>
মাঠ পর্যায়ে এককভাবে শ্রেষ্ঠ ইনোভেশন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য যশোর জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কেএম মামুন উজ্জামান ‘জনপ্রশাসন পদক ২০১৭’-এর জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগত ক্যাটাগরিতে ‘সাঁতার শিখুন, জীবনের জন্য সাঁতার’ প্রকল্পের জন্য এ পদক পাচ্ছেন তিনি। ইতোপূর্বে তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে আড়াই বছর দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি একান্ত ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় স্থানীয় বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তিদের সহায়তা এবং সরকারিভাবে কিছু অনুদান গ্রহন করে শিশু-কিশোরদের সাঁতার শেখার জন্য আধুনিক মানের চুয়াডাঙ্গা শিশু-কিশোর সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করেন।
উল্লেখ্য, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, কেবিনেট ডিভিশন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামের আওতায় সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ নিজ নিজ কর্মস্থলে যৌথভাবে এবং এককভাবে ইনোভেশন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে থাকেন। প্রকল্পগুলোর মধ্যে অধিকতর জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাছাই করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং কেবিনেট ডিভিশন শ্রেষ্ঠ ইনোভেটরদেরকে প্রতিবছর সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ সম্মানের এ পদক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করে থাকেন।
জেলা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কেএম মামুন উজ্জামান জানান, এরপূর্বে তিনি বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে প্রায় আড়াই বছর দায়িত্ব পালন করেন। সিডর-আইলা বিধস্ত পিছিয়ে পড়া এ জনপদে তিনি ৯০ শতাংশ জমির উপর ‘শরণখোলা আইডিয়াল ইনস্টিটিউট’ নামে একটি আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন এবং শরণখোলা উপজেলায় বিস্তৃত ১০টি খালের প্রায় ২৫ কিলোমিটারে ২০ বছর ধরে জমে থাকা কচুরিপানা ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর স্থানীয় জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরিস্কার করাতে সক্ষম হন। এছাড়া তিনি মাদক ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কাজ করেন।
কেএম মামুন উজ্জামান বলেন, দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে জনগণকে কিভাবে উন্নত ও সহজভাবে সেবা প্রদান করা যায় সে প্রত্যয়ে নানামুখি ইনোভেশন প্রকল্প গ্রহণকরে বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা করে যাচ্ছি। তিনি সকলের কাছে দোয়া চান। যেন আজীবন এ ধরণের ভাল কাজ করে যেতে পারেন।