মাদার হুড পুরস্কারে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের সুনাম বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক>
প্রসূতি চিকিৎসাসেবায় ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল। এখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ও সেবিকাদের প্রসূতি সেবায় আন্তরিকতা থাকার কারণেই সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে সরকারি এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। আর মাদার হুড জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত হয়ে রীতিমতো গর্বিত এ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম কামরুল ইসলাম বেনু। পুরস্কার গ্রহণের পর গতকাল মঙ্গলবার নিজ কর্মস্থলে ফিরেই মেডিকেল বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় ডা. একেএম কামরুল ইসলাম বেনু জানান, ২০১৬ সালে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয় ১৫শ’ ৫৭জন রোগীর। সাধারণভাবে ডেলিভারি করা হয় ১২শ’ ৬৯জন প্রসূতির। সে কারণে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে রোববার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম তার হাতে মাদার হুড জাতীয় পুরস্কার তুলে দেন। ঢাকার সোনারগাঁ হোটেলের একটি কক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠঅনের আয়োজন করে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম কামরুল ইসলাম বেনু বলেন, এ হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে ২৬টি শয্যা থাকলেও দ্বিগুণের বেশি রোগী চিকিৎসাধীন থাকে সেখানে। তারা ওয়ার্ডের মেঝে ও বারান্দায় থেকে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করে। রোগীর সংখ্যা বেশি থাকলেও চিকিৎসক ও সেবিকা তাদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করেন। কেননা প্রসূতিসেবা নিশ্চিত করার ব্যাপারে তাদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেয়া আছে। চিকিৎসক, সেবিকা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মিলে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করার কারণেই এ হাসপাতাল জাতীয় পুরস্কার হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। এতে তাদের চিকিৎসাসেবার প্রতি আগামীতে আরো আন্তরিকতা বাড়বে। এদিকে, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ছাড়াও যশোরের আরো দুটি সরকারি স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠান মাদার হুড পুরস্কার পেয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান ডা. একেএম কামরুল ইসলাম বেনু। ওই প্রতিষ্ঠান দুটি হলো চৌগাছা উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতাল ও মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলা স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখার কারণে তাদেরকেও পুরস্কৃত করা হয়।