‘প্রযুক্তিগতভাবে চাষাবাদ করলে সহজেই মৎস্যখাতে দ্বিগুন উৎপাদন করা সম্ভব’

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি>
মৎস্য সম্পদকে আরো উন্নয়ন করতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। প্রযুক্তিগতভাবে চাষাবাদ করলে সহজেই দ্বিগুন উৎপাদন করা সম্ভব। সোমবার সকালে ডুমুরিয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক রণজিৎ কুমার পাল প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সরোজ কুমার মিস্ত্রির সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য সম্পদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি উপজেলা। এখানে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জলাশয়ে বিগত বছর ১৫ হাজার মে. টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় ৮ হাজার মে. টন বেশী। মাছের উৎপাদন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে সকল জলাশয়কে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর ও মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের খুলনা বিভাগীয় উপপ্রকল্প পরিচালক লুকাস সরকার। সভায় বক্তব্য দেন- উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, ডুমুরিয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও আনোয়ারা মৎস্য আড়তের প্রতিষ্ঠাতা গাজী হুমায়ুন করিব বুলু, ভান্ডারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান হিমাংশু বিশ^াস, আ.লীগ নেতা শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়াদ্দার, সফল কাঁকড়া চাষী মনোতোষ গোলদার প্রমুখ। এ সময় মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনে বিশেষ সাফল্য অর্জন করায় উপজেলার ৬ জনচাষী, একজন সম্প্রসারণ কর্মী ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে পুরষ্কার ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়া কাঁকড়া চাষে সফল চাষী মনোতোষ গোলদার, বাগদা চিংড়ি চাষে সফল চাষী শিশির রঞ্জন বিশ্বাস, মাছ চাষে নারী উদ্যোক্তা পূর্ণিমা মন্ডল, গলদা চিংড়ি চাষে সফল চাষী জ্যোতি মন্ডল, কৈ/পাঙ্গাস/তেলাপিয়া চাষে দীপক পাল, সফল মৎস্য সম্প্রসারণ কমী অজয় রায়, কার্প নার্সরীতে সফল চাষী মোফাজ্জেল গাজী এবং গুনগত মানসম্পন্ন মৎস্য খাদ্য উৎপাদনে সফল প্রতিষ্ঠান জয় ফিড মিলস্ লি. এবং পিসিএফ ফিড ইন্ডাস্ট্রিজকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন খামার ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান।