বিএনপি নেতা আব্দার ফারুকের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোর জেলা বিএনপির প্রয়াত যুগ্মসাধারণ সম্পাদক, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এবং নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দার ফারুকের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ । আব্দার ফারুকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে দলীয় ও পরিবারের পক্ষ থেকে কবর জিয়ারত, বেলা ১১টায় নওয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল, বাদ আসর স্থানীয় মসজিদে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয় মাহফিল ও জেলা যুবদলের উদ্যোগে প্রেসক্লাব যশোরে বিকেল ৩ টায় স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
২০০৭ সালের ২৫ জুলাই রাতে দুর্বৃত্তদের বোমা ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন তিনি। সেদিন শহরতলীর শেখহাটি হাইকোর্ট মোড় থেকে রিকসাযোগে বাড়ি ফেরার পথে জামরুলতলা বাজারে পূর্বপাশে পৌছালে সন্ত্রাসীরা তার গতিরোধ করে বোমা হামলা চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সাজেদা বেগম বাদী হয়ে অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামির করে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার সাড়ে ৩ বছর পরে কোতয়ালি থানার তৎকালিন এসআই মোস্তাফিজুর রহমান ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। আসামিরা হলো শেখহাটি এলাকার আব্দুর রহমান, ইবাদুল ইসলাম, আব্দুল গফ্ফার, শাহাজাহান, কামাল হোসেন ও রহিম বাদশা। মামলার মুল আসামি আব্বাস নিহত হওয়ায় চার্জশিটে তার অব্যহতির আবেদন করা হয়। কিন্তু ২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি মামলার বাদী আদালতে চার্জশিটের উপর নারাজি আবেদন করেন। আদালত নারাজি আবেদন গ্রহন করে সিআইডি পুলিশকে পুন:তদন্তের আদেশ দেয়। পুন:তদন্ত শেষে সিআইডি পুলিশ একই আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। এ চার্জশিটের উপর আবারও নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী সাজেদা বেগম চার্জশিটের নারাজি আবেদন করে শুনানিতে অংশ নেননি। অবশেষে আদালতের বিচারক চার্জশিট গ্রহণ করে পলাতক একজন আসামির প্রতি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। আসামিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ফলে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর মামলাটি বিচারের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদকিরা হবে।