শার্শায় শেখ আফিল উদ্দিন এমপিকে গণসংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক>
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেছেন অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নকে ধারণ এবং লালন করতে হবে। কৃষি নির্ভর বাংলাদেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার কর্মিরা তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তিনি বলেন ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর নির্যাতনে নির্যাতিতরা ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। আজ সেই সড়ক উন্নয়নের মহাসড়কে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু দেশ দিয়েছেন আর তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা দেশটাকে ডিজিটাল এবং আধুনিক দেশে রুপান্তরিত করেছেন।
সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী শনিবার বিকেলে যশোরের শার্শা স্টেডিয়ামে এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকে ভূষিত হওয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক আব্দুস ছাত্তার, যশোর এমএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এসএম ইবাদুল হক ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাবান মাহমুদ। অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকবাল সোবহান চৌধুরী আরো বলেন আমাদের স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা মৌলবাদ জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।তিনি গণসংবর্ধনায় উপস্থিত শার্শা বাসির উদ্যেশ্যে বলেন শেখ আফিল উদ্দিন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষি নির্ভর বাংলাদেশ গড়তে নিজ অবস্থান থেকে ভুমিকা রেখে চলেছেন। যার স্বীকৃতি হিসেবে ৩ বার অর্জন করেছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক। প্রধান অতিথি বলেন এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে আফিল উদ্দিন একজন নন্দিত এবং জনপ্রিয় জননেতা। আগামীতেও তাঁর নেতৃত্বে এই অঞ্চলে অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে ।
অনুষ্ঠানে সংম্বর্ধিত জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্জ্ব শেখ আফিল উদ্দিন বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ১৭ বছর শার্শা উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মিদের পাশে থেকে দলের জন্যে কাজ করছি। তিনি বলেন খুলনা বিভাগের মধ্যে একমাত্র বেনাপোল পৌরসভার মেয়র সহ শার্শা উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নির্বাচিত হয়। শেখ আফিল উদ্দিন বলেন ২০০৭ সালের ১৫ আগস্টে বিএনপির সন্ত্রাসীরা আমাকে হত্যার লক্ষে আমার উপর হামলা চালায়। আওয়মীলীগের নেতাকর্মিদের উপর নির্যাতিনও ছিল অসহনীয়। তবুও আমি নেতাকর্মিদের ছেড়ে যায়নি। আগামীতেও শার্শার মানুষকে ছেড়ে যাবনা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক আব্দুস ছাত্তার বলেন একজন শিল্প উদ্যোক্তা শেখ আফিল উদ্দিন কৃষিতেও ভুমিকা রেখে চলেছে। দিনে দিনে তিনি হয়ে উঠেছেন একজন দক্ষ সংগঠক। তিনি বলেন ঘরে ঘরে প্রত্যেককে আফিল উদ্দিন হতে হবে। আফিল উদ্দিনরা শুধু দিতে জানে।
যশোর এমএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক অধ্যাক্ষ এসএম ইবাদুল হক বলেন অনেক এমপির বিরুদ্ধে চাকরি বাণিজ্যের কথা শোনা যায়। আর আফিল উদ্দিন পরিবার শিক্ষার পেছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করে। তিনি বলেন শুন্য হাতে বঙ্গবন্ধু দেশ গড়ার কাজ শুরু করেছিলেন। ঠিক সেই সময় তাকে হত্যা করা হয়। আর শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করছেন সে সময়ে আবার নানা মুখি চক্রান্ত শুরু হয়েছে। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাবান মাহমুদ বলেন হাজার হাজার মানুষের এই উপস্থিতি প্রমাণ করে শার্শাবাসি আফিল উদ্দিনের প্রাণের মানুষ। আগামীতেও শেখ আফিল উদ্দিন নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসেবে শার্শা বাসির পাশে থাকবে।