বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় যশোর শিক্ষা বোর্ড চত্বর

মিরাজুল কবীর টিটো>যশোর শিক্ষা বোর্ড চত্বরে গত তিনদিনের বৃষ্টিতে জমে যায় হাটু পানি। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারিরা। অথচ পানি সরানোর জন্য ড্রেন পরিষ্কারে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু তা কাজে আসছে না।
শিক্ষা বোর্ডের সচিব ড. মোল্লা আমীর হোসেন জানান শিক্ষা বোর্ডের জলাবদ্ধতা নিরাসনে গত বছর শিক্ষা বোর্ডের সামনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ড্রেন খনন করা হয়। এতে ব্যয় করা হয় ৫০ হাজার টাকা। শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল আলিম ও নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসরিন সুলতানা খুশি একাজের উদ্বোধন করেন। তারপর ও গত তিনদিনের বৃষ্টিতে শিক্ষা বোর্ড চত্বরে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।
শিক্ষা বোর্ডের সচিব আরো বলেন ড্রেনের উপর ভেঙে দেয়া অবৈধ স্থাপনা পুনরায় গড়ে উঠায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল আলিম বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য শিক্ষা বোর্ডের সামনে ও পলিটেকনিক কলেজের পাশে নির্মিত পাকা ড্র্রেন সম্পূর্ণ ভাঙা হয়নি। শুধু পরিষ্কার করা হয়। তাই সেখানে ময়লা জমায় শিক্ষা বোর্ডের চত্বরে ৩/৪দিনের জন্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসরিন সুলতানা খুশি বলেন পলিটেকনিকের পাশের ড্রেন থেকে শিক্ষা বোর্ডের পানি ভৈরব নদে পড়ে। সেখানে ড্রেনের উপর নির্মিত পাকা দোকান ভাঙতে হবে। কিন্তু ওই জায়গা উপশহর ইউনিয়নের মধ্যে পড়ে। তাই শিক্ষা বোর্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান ও উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে সমাধান করতে হবে। তবে নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এক্ষেত্রে সহযোগিতা চাইলে সহযোগিতা করবেন বলে জানান উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু।