আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর টিম ডুমুরিয়ায়

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি>

খুলনার ডুমুরিয়ার আলোচিত এগারো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ফের তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর টিম। চিফ প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলীর নেতৃত্বাধীন টিম মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সাক্ষিদের সাথে মতবিনিময় করে। মামলার ৪২জন সাক্ষির মধ্যে ২২জনের সাথে কখা বলেন প্রসিকিউটর টিম। এ নিয়ে চতুর্থ দফা তদন্ত টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন। তদন্ত টিম রানাই জোড়া বকুলতলা, পালপাড়া, ভদ্রদিয়া নলিতের বাড়ি ও শোভনার আলে বাড়ি পরিদর্শন করে। বুধবার মামলার কুলবাড়িয়া ও দক্ষিন গোবিন্দকাটি গ্রামের আরো ২২জন সাক্ষির সাথে কথা বলবেন। চিফ প্রসিকিউটরসহ তদন্দ দলে আরো ছিলেন সহকারী এ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার শেখ মুশফিক কবির, ডেপুটি ডাইরেক্টর ও তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
১৯৭১ সালে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া, রানাই, পাঁচপোতা, কুলবাড়িয়া ও গোবিন্দকাটি এলাকার অসংখ্য নিরীহ মানুষকে হত্যা, তাদের সম্পদ লুট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণসহ নানাবিধ অত্যাচারের ঘটনায় ১১জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী খর্ণিয়া গ্রামের লিয়াকত গাজী বাদি হয়ে এ মামলাটি করেন। গত ৪ মাস আগে ওই মামলার আসামী আঙ্গারদহ গ্রামের রহিম শেখ, খর্নিয়া গ্রামের আঃ করিম শেখ, সামছুর গাজী, রানাই গ্রামের নাজের আলী ফকির, আবু বক্কার সরদার, রহশন গাজী, শাহাজাহান সরদার, সোহরাব সরদার ও জাহান আলী বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে ডুমুরিয়া পুলিশ। বর্তমান আসামীরা কারাগারে রয়েছেন। এছাড়া মামলার অন্যতম আসামী খর্নিয়া গ্রামের ওমর ফকির পলাতক রয়েছেন এবং আক্কাজ সরদার মারাত্মক অসুস্থ থাকার কারণে পুলিশ তাকে আটক করেনি। চীফ প্রসিউকিটর মোঃ সৈয়দ হায়দার সাংবাদিকদের বলেন, ‘বর্তমানে দু’টি ট্রাইব্যুনালে যে গতিতে বিচার কাজ চলছে তাতে আমি সন্তুষ্ট। এভাবে চললে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ন্যায় বিচার পাওয়া যাবে। ন্যায়বিচার করতে যতকুটু সময় প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই সময় লাগবে।’