ডুমুরিয়ায় পশ্চিম বিলপাবলায় বনায়নে ক্ষতির আশংকায় বিদ্যুতের খুটি স্থাপনে বাধা

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি >
ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নে পশ্চিম বিলপাবলা রাস্তায় সামাজিক বনায়ন হুমকি মুখে পড়ার কারণ দেখিয়ে পল্লী বিদ্যুতের খুটি পোতার সময় বন বিভাগ বাধা দিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা বন কর্মকর্তা ও সামাজিক বনায়নের সভাপতি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদেরকে বাঁধা দিলে তারা কাজ বন্ধ রাখেন। সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট বনায়নের কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বিলপাবলা কালভার্ট হতে খামারবাটি ঠাকুরদাসের বাড়ি পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার ওয়াপদা রাস্তায় এলাকার উপকার ভোগী নিয়ে ২০১১-১২ অর্থ বছরে সামাজিক বনায়ন করা হয়। বনায়নে বিভিন্ন প্রজাতির রোপিত গাছ বেশ বড় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি এলাকার চর হাসানখালী বস্তার মিল থেকে পশ্চিম বিল পাবলা পর্যন্ত ১ দশমিক ৬৩৮ কিলোমিটার ইটের সোলিং রাস্তার পাশ দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন নির্মানের কাজ শুরু করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বৈদ্যুতিক খাম্বাগুলো একেবারই ইটের রাস্তার হ্যাজিংয়ের পাশে পোতায় সামাজিক বনায়ন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। পশ্চিম বিলপাবলা সামাজিক বনায়নের সভাপতি প্রকাশ বিশ্বাস বলেন, ঠিকাদার তার সুবিধামত জায়গায় খুটি স্থাপন করছেন। এভাবে বনায়নের মধ্যে খাম্বা পুতে বৈদ্যুতিক তার টানালে বনায়ন ধ্বংস হবে। আমাদের সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই ইতোমধ্যে ২০/২৫টি গাছের মাথা কর্তন করেছে ওরা। যে কারণে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
ঠিকাদার ইকরাম হোসেন বলেন, আমরা প্রকল্পের নকশানুযায়ী কাজ করছি। কিন্তু বন কর্তৃপক্ষ বাঁধা দিয়েছে। ফলে আলোচনা সাপেক্ষে কাজ করা হবে। খুলনা পল্লী বিদ্যুত সমিতি অফিসের পরিদর্শক মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তার পাশে তেমন জায়গা নেই। তাছাড়া ব্যাক্তিগত মালিকানাধীন জায়গায় কেউ বৈদু্যৃতিক খুটি পুততে দেয় না। যে কারণে সরকারি জায়গার উপর দিয়ে আমাদের কাজ করে যেতে হয়।’ এ প্রসঙ্গে উপজেলা ফরেস্টার মোঃ ফুরকানুল আলম বলেন, ‘আলোচনা ছাড়াই ঠিকাদাররা ইচ্ছামতভাবে খাম্বা স্থাপন করছে। বনায়ন রক্ষার স্বার্থে আমি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।