বুড়িগঙ্গার তলদেশে টানেল হবে: নৌমন্ত্রী

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক :
বুড়িগঙ্গার দুই পাড়ের মানুষের সহজ যাতায়াতের লক্ষ্যে সদরঘাট এলাকায় নদীটির তলদেশে টানেল নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) ঢাকায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন এবং নতুন সম্প্রসারিত টার্মিনাল ভবনে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে একথা জানান মন্ত্রী।

প্রতিদিনই সদরঘাট ও কেরানীগঞ্জের জিনজিরার হাজারো মানুষ নৌকা ও ট্রলারে বুড়িগঙ্গা পার হন। মাঝেমধ্যেই এ পথে দুর্ঘটনাও ঘটে। টানেল হলে যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনাও এড়ানো সম্ভব হবে।

শাজাহান খান বলেন, ‘নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিএর কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় নান্দনিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা হকারমুক্ত করা হয়েছে। নতুন টার্মিনাল ভবন, পার্কিং ইয়ার্ড নির্মাণ, বনায়ন ও পন্টুন বৃদ্ধির ফলে যাত্রীদের চলাচলের সুযোগ-সুবিধা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১০ সালের ১ জুলাই থেকে সদরঘাটকে ইজারাদার মুক্ত করা হয়েছে। পোস্তগোলার কাছে শ্মশানঘাটে নতুন একটি অত্যাধুনিক লঞ্চ টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। এ লক্ষ্যে সদরঘাট থেকে শ্মশানঘাট পর্যন্ত দুই দশমিক ৫ কিলোমিটার রাস্তা বিআইডব্লিউটিএর অর্থায়নে নির্মাণ করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘লঞ্চে ওঠার আগে টিকিট সংগ্রহ করে সদরঘাটে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হবে। এতে যাত্রী হয়রানি অনেকাংশে কমে আসবে।’ এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

মন্ত্রী সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের সার্বিক পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নদী রক্ষায় বিআইডব্লিউটিএকে আরও বেশি কাজ করার আহ্বান জানান। এক্ষেত্রে তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কুড়িগ্রামের চিলমারী নদী বন্দরের উন্নয়নকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।