যশোর আব্দুলপুরে মাঠ দিবস> সবজির সাথে অদৃশ্য বিষ খাচ্ছি : কৃষি উপপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক>
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর যশোর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক কাজী হাবিবুর রহমান বলেছেন, যে কোন সবজি উৎপাদনে চাষিরা ক্ষেতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করছেন। কীটনাশক ব্যবহারের পরপরই ওই সব সবজি বাজারজাত করা হচ্ছে। যে কারনে প্রতিদিন শাক সবজির সাথে অদৃশ্য বিষ খাচ্ছি আমরা। কৃষকদের বিষাক্ত কীটনাশক মিশ্রিত শাক-সবজির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তেমন জ্ঞান না থাকায় তারা তা অবাধে বাজারজাত করছেন। ওইসব সবজি খাওয়ার কারণে মানুষ চর্মরোগ কিডনি লিভারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
বুধবার যশোর সদর উপজেলার আব্দুলপুরে সবজি উৎপাদনশীলতা উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণ (এভিপিআই) প্রকল্পে শস্য কর্তন ও কৃষক-কৃষানিদের মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, চাষিদের সচেতনতার মধ্য দিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে বিষমুক্ত সবজি চাষে আগ্রহী করে তুলতে হবে। যদিও পূর্বের তুলনায় চুড়ামনকাটি হৈবতপুর ও কাশিমপুর ইউনিয়নের অনেক চাষি এখন বিষমুক্ত সবজি চাষ করে সফল হয়েছেন। তাদের উৎপাদিত সবজি বিদেশেও সরবরাহ করা হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক সার উন্নয়ন কেন্দ্র (আইএফডিসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এলাকার সফল চাষি আরশাদ আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী উপ-পরিচালক সুব্রত কুমার চক্রবর্তী, চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তফা, আন্তজার্তিক সার উন্নয়ন কেন্দ্রের ডেন্ডার স্পেশালিষ্ট মাহমুদা আক্তার খান ও মীর হোসেন খন্দকার।
আরো বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক সার উন্নয়ন কেন্দ্রের যশোর জেলার মাঠ সমন্বয়কারী কর্মকর্তা শরিফুল আলম মনি, ফিল্ড মনিটরিং অফিসার বদিউজ্জামান, কৃষক রওশন আলী, কৃষাণী রীনা খাতুন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা পলিনেট ঘর ও ট্রিকল সেচ ও গুটি ইউরিয়া ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক পদ্ধতিতে উৎপাদিত বিষমুক্ত তরতাজা বাঁধাকপি ক্ষেত থেকে কর্তন করা হয়। অনুষ্ঠানে ৪০ জন কৃষক কৃষাণী অংশগ্রহন করেন।