যশোর মুক্ত দিবসে হাজারো কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত

রিমন খাঁন:বর্ণাঢ্য গণশোভাযাত্রা ও বিজয় স্তম্ভে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মধ্যদিয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে ৬ডিসেম্বর ঐতিহাসিক ‘যশোর মুক্ত দিবস’ ।
ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠের শতাব্দী বটমূলে রওশন আলী মঞ্চে এ দিবস উপলক্ষে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় হাজারো কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয় । এর আগে পরিবেশিত হয় দেশাত্ববোধক সঙ্গীত। এরপর বাদ্যের তালে তালে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে জাতীয় পতাকাশোভিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিন।
এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্তলগ্নে মুক্তিপাগল দামাল ছেলেদের অদম্য সাহস আর বীরত্ব গাঁথায় বিজয়ের আগেই যশোর জেলা বর্বর পাকিস্তানী হানাদারমুক্ত হয়। যশোর প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা হিসেবে। তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। এখন সময় উন্নত বাংলাদেশ গড়ার। ২০২১ সালে মধ্য আয়ের আর ৪১ এর আগেই বাংলাদেশ থাকবে উন্নত দেশের কাতারে। তিনি দেশ গড়ায় সকলকে ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হুসাইন শওকত,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) দেবপ্রসাদ পাল,জেল সুপার কামাল হোসেন, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার এএসএম কবীর,সহকারী তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম,জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমুর দাস, প্রবীণ শিক্ষক তারাপদ দাস, জাসদের কার্যকরী সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. রবিউল আলম, একাত্তরের বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর কমান্ডার আলী হোসেন মণি, রাজেক আহমেদ, আবুল হোসেন, এএইচএম মুযহারুল ইসলাম মন্টু, মোহাম্মদ আলী স্বপন, হায়দার গনি খাঁন পলাশ, আফজাল হোসেন দোদুল, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য ইকবাল কবির জাহিদ, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ডিএম শাহিদুজ্জামান, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মাহমুদ হাসান বুলু, দীপংকর দাস রতন,যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি একরাম-উদ-দ্দৌলা,সাংবাদিক ও ছড়াকার সাজ্জাদ গনি খাঁন রিমনসহ যশোরের বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি, সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীবৃন্দ এবং বিভিন্ন বয়সের সাধারণ জনগণ অংশ নেন। উদ্বোধনের পর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মুজিব সড়ক, দড়াটানা হয়ে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র সড়ক হয়ে চৌরাস্তা রবীন্দ্রনাথ সড়ক হয়ে বিজয় স্তম্ভে এসে শেষ হয়। সেখানে জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়।