আমরা এগিয়ে চলেছি

এগার বছর পেরিয়ে বারতম বছরে পা দিল দৈনিক স্পন্দন। মনুষ্য বয়সে বালক হলেও প্রতিষ্ঠান হিসেবে একেবারেই কম নয়। বাঙালি জাতীয়তাবাদের বোধকে বুকে ধারণ করে সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার পক্ষে থেকে ১১ বছর আগে মহান বিজয়ের মাসে শুরু হয়েছিল আমাদের পথ চলা।
আপন পক্ষকে আমরা সবসময় পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করেছি। আমাদের স্লোগান-‘সত্যের সন্ধানে অবিচল’ থাকা। এই প্রতিপাদ্যে টিকে থাকার নিরন্তর সংগ্রাম আমাদের। সেই সংগ্রামের বড় উপাদান সত্যনিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠতা। মূল্যবান এই দুই উপাদান ধারণ করে প্রতিদিনের কাজ শুরু হয় আমাদের। পাঠকের কাছে দেয়া প্রতিশ্র“তি রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা প্রতিনিয়ত। সংবাদে শঠতা ঘৃণা করে স্পন্দন পরিবার। তাই যেকোনো সংবাদে ব্যক্তিস্বার্থ নয়, সমাজ ও দেশের স্বার্থ বড় করে ফুটে ওঠে পাতায় পাতায়। ব্যক্তি তখনই বড় হয়ে ওঠে যখন সে নির্যাতিত। তার পক্ষে কথা বলে স্পন্দন। দলীয় আদর্শে আমাদের বিশ্বাস, তবে দলীয়করণে নয়।
রুচির সাথে আপোশ করি না আমরা। রুচি ও বাণিজ্য গুলিয়ে একাকার করে দেয়াকে চরম অপছন্দ স্পন্দন পরিবারের। তাই পথ চলার প্রথম দিনটি থেকে আজ পর্যন্ত মিথ্যা কথা সম্বলিত রুচিহীন কোনো বিজ্ঞাপন স্থান পায়নি পত্রিকাটিতে। যদি শিল্প হিসেবে দেখা যায়, তাহলে প্রতিদিনের পণ্য সংবাদপত্র। পাঠক এর ভোক্তা, সেই ভোক্তা যদি পণ্যটিকে তার পরিবার পর্যন্ত নিতে না পারেন, তবে স্বার্থকতা কোথায়? এমন চেতনায় দৈনিক স্পন্দন প্রতিদিন সকালে পাঠকের হাতে পৌঁছে নান্দনিকতার ছোঁয়ায় রুচিশীলতার দৃষ্টান্তে।
আমরা থাকতে চাই ভাল যেকোনো কিছুর সাথে। সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় রয়েছে আমাদের ব্যাপক উৎসাহ।
প্রয়াস চালানোর অঙ্গীকার করছে।
অগণিত পাঠকের এ আস্থা ভালবাসায় আমাদের বুক ভরে ওঠে। আশা করি সকলের শুভ কামনায় ও সহযোগিতায় স্পন্দনের এ পথ চলা অব্যাহত থাকবে।