যশোরে চালু হলো ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’

নিজস্ব প্রতিবেদক>যশোরে চালু হলো তথ্য প্রযুক্তি প্রজন্মে স্বপ্ন সারথি ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’। রবিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৩০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ পার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
পার্ক মিলনায়তনে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যশোর থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম, যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিরিনা খাতুন, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী নাজিফা তাসনিম শেফা, যশোর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ছাত্র ধীমান আল হামিদ, আইটি প্রফেশনাল অনএয়ার ইন্টারন্যাশনাল সিইও শাহীন আজাদ, আমরা নেটওয়ার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ আহমেদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন যশোর-২ আসনের এমপি অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির, যশোর-৩ আসনের এমপি কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪ আসনের এমপি রণজিৎ কুমার রায়, যশোর-৫ আসনের এমপি স্বপন ভট্টাচার্য্য, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিম্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন শিকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর পাশে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরে একটি বিশ্বমানের আইটি পার্ক স্থাপনের ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যশোরের বেজপাড়া শংকরপুর এলাকায় এ আইটি পার্কের নির্মণ কাজ শুরু হয়। মোট জায়গার পরিমাণ দুই লাখ ৩২ হাজার বর্গফুট। এই হাইটেক পার্কে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধাসহ রয়েছে ১৫ তলাবিশিষ্ট এমটিবি ভবন, ১২ তলাবিশিষ্ট ফাইভ স্টার মানের ডরমেটরি ভবন, অত্যাধুনিক কনভেনশন সেন্টারের সঙ্গে আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং। জাপানি উদ্যোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী ডরমেটরি ভবনের ১১ তলার পুরোটাতে আন্তর্জাতিকমানের জিম স্থাপন করা হয়েছে। আর সব বিল্ডিং নির্মাণ করা হয়েছে ভূমিকম্প প্রতিরোধক কম্পোজিট (স্টিল ও কংক্রিট) কাঠামোতে। এছাড়া প্রতিটি ফ্লোরে ১৪ হাজার বর্গফুটের জায়গা রয়েছে। এতে থাকছে ৩৩ কেভিএ পাওয়ার সাব- স্টেশন, ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট লাইন এবং অন্যান্য ইউটিলিটি সার্ভিসের সুবিধা।