বেনাপোলে বিএনপি নেতা হাফিজুরের কুকৃর্তি

শেখ কাজিম উদ্দিন, বেনাপোল>বেনাপোলের বিএনপি নেতা নারীলোভী হাফিজুরের কুকৃর্তীতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। একাধিকবার এলাকায় সালিশ-বিচার হওয়ার পরও থেমে নেই তার অসামাজিক কর্মকান্ড। সংসারে স্ত্রী সন্তান থাকা পরও একাধিক নারীর সাথে তার রয়েছে অবৈধ সম্পর্ক।
বেনাপোলের ভবারবেড় গ্রামের মরফত মোড়লের ছেলে বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন ভবারবেড় গ্রামে। প্রথম জীবনটি অভাব অনটনের মধ্যে অতিবাহিত হলেও পরে সিএন্ডএফ এজেন্ট অফিসে কর্মচারি হিসেবে কাজ শুরু করেন। সেখান থেকে কয়েক বছরের ব্যবধানে নারায়নগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর পণ্য আত্মসাৎ করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যান। পরে তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। কয়েকটি পরিবহন কিনে যশোর বেনাপোল সড়কে ভাড়া খাটিয়ে লোকাল বাস মালিক সমিতির নেতৃত্ব দখল করে আধিপত্ত্ব বিস্তার করেন। রাতারাতি কালো টাকার মালিক হওয়ায় অর্থের দাপটে সুন্দরী নারীদের প্রতি তার আসক্তি দিনদিন বেড়ে যায়। তারই ধারাবাহিকতায় তার নজর পড়ে একই গ্রামের এক ইজি বাইক চালকের স্ত্রীর প্রতি। তাকে ধর্ম মা ডেকে অবাধে তার বাড়িতে যাতায়াত করে। পরে অভাব অনটনের সুযোগ নিয়ে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এভাবে ১২টি বছর নির্বিচারে তার শরীর উপভোগ করতে থাকে নারী লোভি লম্পট হাফিজুর। ইতোপূর্বে দুইবার স্থানীয়ভাবে সালিসি বৈঠকে মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পেলেও থেমে থাকেনি তার এই অবৈধ কর্মকান্ড। গত শুক্রবার আবারও একই ঘটনার অভিযোগে তাকে আটক করে এলাকাবাসি। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে বসে সালিসি বৈঠক। পরে মুচলেকাসহ নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে শেষ রক্ষা হয়। এ ঘটনা স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে জানাযানি হলে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন লম্পট হাফিজুর।
দীর্ঘদিন ধরে সে ভবারবেড় পশ্চিমপাড়া মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার, কবর স্থান কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ যশোর বেনাপোল বাস লোকাল বাস মালিক সমিতির নেতা থাকাবস্থায় এলাকায় ছিছি রব পড়েছে।