সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিনের নেতৃত্বে উন্নয়নের মডেল শার্শা> ৯ বছরে রাস্তা শিক্ষা বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যখাতে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোর জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শা । এক সময় এ উপজেলায় চোরাচালানের আধিক্য থাকায় অধিকাংশ মানুষ চোরাচালানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ফলে শিক্ষার হারও কম ছিল। উন্নয়ন কর্মকান্ডও ছিলনা। এ অবস্থায় এ উপজেলার জন্য আর্শিবাদ হয়ে আসেন সংসদ সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন। এখানে আসার পর থেকে একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড হতে থাকে। শিক্ষার হারও বাড়তে থাকে। কর্মসংস্থানও বেড়ে যায় বহুগুণ। ব্যক্তিগত ও সরকারিভাবে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করতে থাকেন তিনি। এক সময় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিনের নেতৃত্বে উন্নয়নের মডেল সৃষ্টি হয় উপজেলাতে। এই জনপ্রতিনিধির নেতৃত্বে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী পেয়েছে আধুনিক জীবন ব্যবস্থা। ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে উন্নয়নের ধারবাহিকতা বজায় রেখে ২০১৪ সালে পুনরায় সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। একটানা ৯ বছরের সেবা করার সুযোগে তাঁর নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে অসংখ্য নতুন নতুন রাস্তা,স্কুল,কলেজ ও হাসপাতালসহ অবকাঠামো।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর পৌর নির্বাচনে জেলার সব পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর পরাজয় ঘটলেও উপজেলার বেনাপোল পৌরসভায় বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী। ইউপি নির্বাচনে জেলার অন্য উপজেলাতে ৩/৪টি করে ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের থেকে বিজয়ী হলেও শার্শায় ১১ টির মধ্যে ৯টিতে বিজয় আসে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর। এসব সাফল্যের কৃতিত্বের দাবিদার সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন।
৯ বছরে এই উপজেলাতে তিনশ’ কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম দৃশ্যমান।
দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এই সময়ে সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে শার্শা উপজেলা কলেজ ভবন, পাকশিয়া আইডিয়াল কলেজ, গোগা ইউনাইটেড আদর্শ কলেজ, বেনাপোল ডিগ্রি কলেজ, ফজিলাতুন্নেসা মহিলা কলেজ ও বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজ। ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন, ২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ টি মাদ্রাসা ভবন এবং ৩৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকায়।
এসময় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৮২ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করণ এবং ৯ কোটি টাকায় সংস্কার হয়েছে ২০ কিলোমিটার রাস্তা। ৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হয়েছে শার্শা উপজেলা প্রশাসনিক ভবন, ৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে নাভারণ হাসপাতাল। ৪শ’ ২৭ কিলোমিটার নতুন বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণের মাধ্যমে ৬০ হাজার পরিবারের মাঝে দেয়া হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। এতে খরচ হয়েছে ৫৫ কেটি টাকা।
তাছাড়া ব্যাক্তিগত ভাবেই বিভিন্ন উন্নয়নে অসংখ্য বেকারের কর্মসংস্থান হয়েছে।