প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে বড় পর্দার সামনে ভিড়

বিল্লাল হোসেন>
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে বড় পর্দার সামনে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। যশোর ইদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভাস্থলে ঠাই না পেয়ে তারা শহরের বিভিন্ন স্থানে বসানো বড় পর্দার সামনে ভিড় করেন।
জন¯্রােতের কারনে বাস্তবে দেখার সুযোগ না হলেও বড় পর্দার মাধ্যমে প্রিয় নেত্রীর মুখটা দেখে নেতাকর্মীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বাড়ি ফিরেছেন।
৩১ ডিসেম্বর যশোর ইদগাহ ময়দানে ছিলো আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা। ৪ বছর পর তিনি যশোর ইদগাহ ময়দানে জনসভায় ভাষণ দেন। সোয়া তিনটার দিকে তিনি বক্তব্য শুরু করেন।
এদিকে জনসভা উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা আসতে থাকেন জনসভাস্থলে। যশোরের ৮টি উপজেলা ছাড়াও পাশের জেলার নেতাকর্মীরা জনসভায় অংশ নিতে আসেন। বেলা ১২টার মধ্যে দেখতে দেখতে যশোর ইদগাহ ময়দান জন¯্রােতে পরিণত হয়। শহরের বিভিন্ন রাস্তায়ও ছিলো নেতাকর্মীদের ভিড়। যে কারনে অনেকেই জনসভাস্থলে যেতে পারেননি।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, যশোর টাউন হল ময়দান, দড়াটানা ভৈরব চত্বর, ট্রাফিক অফিসের পাশেসহ বিভিন্নস্থানে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সম্প্রচার করা হচ্ছে। প্রতিটি পর্দার সামনে রয়েছে নেতাকর্মীদের চোখে পড়ার মতো ভিড়। তারা মন দিয়ে প্রিয় নেত্রীর বক্তব্য শুনছেন।
যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশী এলাকার আব্দুর রাজ্জাক, ঝিকরগাছা উপজেলার মাটিকুমড়ার জসিম উদ্দিন, যশোর সদর উপজেলার দোগাছিয়া গ্রামের মিজানুর রহমান জানান, বঙ্গবন্ধুর যোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একনজর দেখার জন্য তারা জনসভাস্থলের উদ্দেশ্য এসেছিলেন। কিন্তু সেখানকার প্রতিটি প্রবেশমুখে ছিলো ব্যাপক মানুষের সমাগম। তাই ইচ্ছা থাকা সত্বেও সেখানে যাওয়ার সুযোগ হয়নি। তাই বড় পর্দায় প্রধানমন্ত্রীর হাসিমাখা মুখটি দেখে মনকে সান্তনা দিয়েছি। বড় পর্দার সামনেও ছিলো প্রচুর নেতাকর্মীর উপস্থিতি।
ইসমাইল হোসেন, সাইফুল ইসলাম, জসিম উদ্দিনসহ অনেকেই জানান, বেলা ১টার পরই জনসভাস্থল যশোর ইদগাহ ময়দানে ঢোকার মতো কোন পরিস্থিতি ছিলোনা। কেননা রাস্তার উপরই ছিলো হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি। তাদেরকে ঠেলে সেখানে যাওয়ার কোন উপায় নেই। তাই বড় পর্দায় প্রধানমন্ত্রীকে দেখেছি ও বক্তব্য শুনেছি।