লটারি জুয়া বন্ধে ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক :
লটারি জুয়া বন্ধে ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ

মেলার নামে লটারি জুয়া বন্ধে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূখ্য সন্বয়ক (এডিজি) আবুল কালাম আজাদ। সোমবার বিকেলে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে উপস্থিত জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, সারাদেশে মেলার নামে লটারি জুয়া চালু করা হয়। এটা নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চরম ক্ষুব্ধ। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণকে মেলার নামে লটারি ও জুয়া বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কাউকে জুয়া খেলতে দেওয়া হবে না। আর মাদকের নেশা করতে দেওয়া হবে না। মাদক, জুয়া লটারি বন্ধে আপনারা কার্যকর পদক্ষেপ নিবেন।

ভিডিও কনফারেন্সে সারাদেশের বিভাগীয় কার্যালয়ে উপস্থিত জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ওয়ার্ড পর্যায় থেকে উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে তাদের কাছ থেকে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। ক্ষেত্রে স্থানীয় চাহিদা যেমন রাস্তাঘাট, ড্রেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন অগ্রাধিকার দিতে হবে। ৯ ওয়ার্ডের পরিকল্পনা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার সমন্বয়ে উপজেলা পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে কাজগুলো শেষ করতে হবে। এরপর উপজেলা পর্যায়ের প্রস্তাবনাগুলো নিয়ে জেলা পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশের জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মতামত নিবেন। এরপর জনগণের মতামতের ভিত্তিতে জেলা পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা হবে। পর্যায়ক্রমে বিভাগ ও জাতীয় পর্যায় উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।

ভিডিও কনফারেন্স শেষে যশোর জেলা উন্নয়ন বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মাজেদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- যশোর জিলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, যশোর পৌরসভার চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমীর হোসেন, বাঘারপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান, বাঘারপাড়া পৌরসভার চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাচ্চু, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, কেশবপুরের ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিনসহ অনেকে। সভায় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।