শৈলকুপা থেকে তুলে নেয়া ব্যক্তি কুষ্টিয়ায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত

স্পন্দন ডেস্ক>
কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, যাকে তিন দিন আগে ঝিনাইদহ থেকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের অভিযোগ।
নিহত তৌহিদুল ইসলাম (৩৮) ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন মোল্লার ছেলে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের মহিষাডাঙ্গা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির মধ্যে তিনি নিহত বলে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি মো. রতন শেখের ভাষ্য।
তিনি বলছেন, সড়কে গাছের সঙ্গে দড়ি বেঁধে ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়নের মহিষাডাঙ্গায় অভিযানে যায়।
“পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। কিছু সময় গোলাগুলি চলার পর এক পর্যায়ে ডাকাতরা পিছু হটে। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যকে পাওয়া যায়।”
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে নিহতের বড় ভাই শহিদুল ইসলাম মর্গে এসে লাশ দেখে তাকে তৌহিদুল ইসলাম হিসেবে শনাক্ত করেন।
শহিদুল বলেন, তার ভাই শৈলকূপায় ছোটোখাটো ব্যবসা করতেন। তিন দিন আগে একদল লোক বাড়িতে এসে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে নিয়ে যায়।
“ওর বিরুদ্ধে রাজবাড়ীতে পুরনো একটি মামলা ছিল। আমরা মনে করেছিলাম হাজিরা না দেওয়ায় ওই মামলায় বোধ হয় আটক করেছে। কিন্তু পরে যখন যোগাযোগ করলাম, ডিবি পুলিশ গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করল। তিন দিন ওর কোনো খোঁজ পাচ্ছিলাম না।”
ওসি রতন শেখ বলছেন, বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনায় ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় থানার এস আই মো. রাশেদুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. আহাদুল ইসলাম এ ঘটনায় আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি বন্দুক, গাছ কাটার একটি করাত ও মোটা দড়ি উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।