ভাষা সংগ্রামীদের তালিকা করুন, সম্মান করুন

একটি বহুল প্রচারিত দৈনিক সংবাদপত্রের ১০ জানুয়ারি সংখ্যায় প্রথম পৃষ্ঠার প্রথম কলামে প্রকাশিত ‘বাংলা হবে সর্বজনের শিক্ষা বাহন’ শীর্ষক লেখাটি আমার মনকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তাই ঐ লেখাটিকে আরও কিছু পাঠক-পাঠিকাকে জানাতে এই নিবন্ধটি লিখতে বসেছি। শ্রদ্ধেয় সুলেখক অনুপম সেন লিখেছেন লেখাটি। আমি তার অংশ বিশেষের উদ্ধৃতি দেওয়ার লোভ কিছুতেই সামলাতে পারলাম না।

অনুপম অত্যন্ত সহজ ভাষায় লিখেছেন, “মানুষকে মানুষ করেছে ভাষা। ভাষা মানুষের অসাধারণ অর্জন। ভাষা ছাড়া মানুষ আজকের সভ্যতার যেসব প্রাপ্তি তাতে কোন দিন পৌঁছাতে পারতো না। মানুষের মনোজগত ও বাস্তবজগতের যে অসীম বিস্তার ও প্রসার আজ বিশ্বের বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর সংস্কৃতিতে আমরা দেখতে পাই তাও ভাষারই সৃষ্টি, ভাষারই অবদান। ভাষার ওপরই নির্ভর করে সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতি। ভাষা তাই একই সঙ্গে একটি সমাজের উৎপাদন ব্যবহার মৌলিক কাঠামো এবং সে কাঠামোর উপরি সৌধ। একটি ভাষার জোর এবং তার অন্তর্নিহিত শক্তির উপর নির্ভর করেই যে ভাষায় গড়ে ওঠে তার সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিল্প, সংস্কৃতি। বাংলা দুর্বল ভাষা নয়। এটি একটি অত্যন্ত সবল ভাষায়, এ ভাষায় আজ পর্যন্ত যা অর্জন ঘটেছে তার সম্ভার বিরাট।”

“এ ভাষায় যেমন মহৎ কবি জন্মেছেন, তেমনই জন্মেছেন বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী যারা তাদের বিমূর্ত চিন্তার মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন বিজ্ঞানকে। বর্তমান বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আইনষ্টাইনের তত্ত্বের একটি দিকের বিমূর্ত গাণিতিক ব্যাখ্যা যোগ করে সত্যেন বোস বিশ্বসভায় একজন অসাধারণ বিজ্ঞানী হিসেবে অমরত্ব লাভ করেছেন, বিজ্ঞানে তার সূচীর স্বাক্ষর রেখেছেন। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, সংগীত ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বাঙালির যে বিপুল সৃষ্টি হাজার বছরে বিশেষত: গত ২০০ বছরে গড়ে উঠেছে, তাতে বিশ্ববাসীকে সে তার অজ্ঞানে গর্বের সাথেই আমন্ত্রণ করতে পারে।”

“১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মুখের ভাষা হিসেবে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পেতে বহু তরুণ প্রাণের রক্ত ঝরাতে হয়েছিল। বাংলা ভাষাই বিশ্বের একমাত্র ভাষা, যে ভাষায় জনগণ ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মোৎসর্গ করেছে-প্রাণ দিয়েছে। আজ নিজের ভাষাকে, মাতৃভাষাকে অবলম্বন করেই এক সময়ের তথাকথিত অনুন্নত দেশগুলো বিশ্বের ধনী রাষ্ট্রগুলোর কাতারে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে।”

“উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি জাপানের মাথাপিছু আয় কম ছিল। আজ জাপান তের কোটি লোকের দেশ, বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী দেশ, নিজের মাতৃভাষাকে জ্ঞান চর্চার বাহন হিসেবে ব্যবহার করেই। জাপানের আভ্যন্তরীন সম্পদ, কৃষিজ বা খনিজ সম্পাদ কোনটাই খুব বেশী নেই, জাপান ধনী হয়েছে নিজের মানব সম্পদের গুণে, নিজেকে জ্ঞানভিত্তিক সমাজে রূপান্তর করে, তারই প্রয়োগে। একই কথা দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন সম্পর্কেও প্রযোজ্য। দক্ষিণ কোরিয়া এই সেদিনও বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের প্রথমার্ধেও একটি দরিদ্র দেশ ছিল, মাথাপিছু আয় বাংলাদেশ থেকে বেশী ছিল না। আজ কোরিয়া কোথায়? তারাও এ অর্থনৈতিক উন্নতি তার মাতৃভাষার ওপর নির্ভর করেই, পূরো সমাজকে নিজের ভাষার মাধ্যমে একটা দক্ষ শিক্ষিত সমাজে পরিণত করে।”

“তাহলে আমরা বাঙালিরা, জনসংখ্যার মাপকাঠিতে পৃথিবীর চতুর্থ বৃহৎ জনগোষ্ঠী, যে ভাষায় এত লোক কথা বলি, যে ভাষা এত সমৃদ্ধ, কেন এত কুণ্ঠিত নিজের ভাষাকে শিক্ষার প্রধান বাহন করতে? আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকেই হতে হবে আমাদের সর্বজনের জীবনের মুখ্য বাহন, সর্বক্ষেত্রে, শিক্ষার ক্ষেত্রে, মনের জগতে, রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে।”

অত্যন্ত সহজ ও প্রাণঞ্চল ভাষায় ভাষার মাহাত্ম্য, তার তাবৎ উপকারিতা, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সহসা খুব একটা আমার চোখে পড়ে নি। যদিও বিষয়গুলি কম বেশী আমাদের অনেকেরই জানা।

আমরা তাই বাংলাদেশের যে উৎকর্ষের কথা প্রচার করি, যেমন ভাষা, সাহিত্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে তার সবটাই প্রধানত: নির্ভর করে বাংলা ভাষার উপর, আমাদের মাতৃভাষার উপর এবং সর্বোপরি আমাদের গৌরবোজ্জ্বল ভাষা আন্দোলনের ওপর। আমাদের ভাষা সাহিত্য তার নানা শাখা প্রশাখার যে বিকাশ এ যাবত ঘটেছে তাতে নানা কারণে বহু ঘাটতি থাকা সত্বেও, তার বিকাশ অতিশয় উলেখযোগ্য।

বিশেষ করে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর থেকে এই মাত্র ৬৫ বছরে আমাদের প্রকাশিত নানা জাতের বাংলা গ্রন্থ তা যে উপন্যাসই, গল্পের বই-ই হোক, কবিতার বই হোক, অনুবাদ সাহিত্যই হোক, বিজ্ঞানের গ্রন্থই (যদিও এই বিষয়ের প্রকাশিত মৌলিক গ্রন্থ এখনও নেহায়েতই কম), কৌতুক, নাটক, প্রবন্ধ, ইতিহাস প্রভৃতি বিষয়ে এ যাবত প্রকাশিত বই এর ভাণ্ডার বিশাল। প্রতি বছর বাংলা একাডেমির বই মেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত মাসব্যাপী অনন্য উৎসবকে কেন্দ্র করে এ যাবত কি বিপুল সংখ্যক বই প্রকাশিত হয়েছে!

ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের বহুমুখী এবং সীমাহীন তাৎপর্য আজও সুষ্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে আসেনি আমাদের উপলদ্ধিতে, আসেনি তার প্রকৃত ইতিহাস। কয়েকটি ঘটনাপঞ্জী যেমন তার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান, তেমনই আবার গৌণ মনে করে কিছু কিছু ঘটনাকে উপেক্ষা করা বা তার উল্লেখ না করাও ইতিহাসকে পূর্ণতা না দেওয়ার সামিল। আবার অসম্পূর্ণ ইতিহাসকে ইতিহাসের বিচ্যুতি বললেও ভুল হবে না।

এখানে এই প্রসঙ্গে একটি দুটি বিষয়ের উল্লেখ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। ১৯৪৮ সালে ঘোর সাম্প্রদায়িক পাকিস্তান সরকারের রক্তচক্ষুকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগ (আজকের আওয়ামী যুবলীগ নয়)। যুবলীগই ছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর সর্বপ্রথম গঠিত একটি অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষতা অনুসারী, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী একটি সংগঠন।

এই যুব সংগঠনের স্রষ্টা ও উদ্যোক্তা ছিলেন বামপন্থীরা। যুবলীগ ছিল ভাষা আন্দোলনের অন্যতম উদ্যোক্তা। এরপর ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ আর ১৯৫১তে প্রতিষ্ঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিমলীগ। সাবেক মুসলিমলীগ নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে সংগঠন দুটির নামেই স্পষ্টত: বোঝা যায় তারা অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটাতে পারেননি। তবে তাঁরা কেউই সাম্প্রদায়িকতার অনুকূলে প্রচার করেননি এবং বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাঁদের উভয়েরই অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

১৯৫২ তে ভাষা আন্দোলনের অব্যবহিত পরে আত্ম প্রকাশ করে পাকিস্তানোত্তর প্রথম বামপন্থী ছাত্র সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয় দ্রুত এর শাখা প্রশাখা প্রদেশের সকল জেলা ও মহকুমায় বিস্তার লাভ করে। এতে উপলদ্ধি করা যায় ভাষা আন্দোলনের পরবর্তিতে তরুণ যুবসমাজ কিভাবে ধীরে ধীরে সাম্প্রদায়িকতার প্রভাবমুক্ত হয়ে অসাম্প্রদায়িক চেতনার অনুসারী হয়ে উঠছিলেন। কারণ ছাত্র ইউনিয়নের প্রধান প্রচার ছিল সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে।

এর পরিণতি স্বরূপ পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ ও পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ ১৯৫৬ সালে তাদের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি তুলে দেন এবং ধর্মনিরপেক্ষতাকে তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করে দলীয় গঠনতন্ত্র সংশোধন আনয়ন করেন।

আগেই, সম্ভবত ১৯৫৫ সালে বামপন্থীদের উদ্যোগে নতুন একটি বামপন্থী রাজনৈতিক দল ও আত্মপ্রকাশ করে ‘পাকিস্তান গণতন্ত্রী দল’ নামে, যার সভাপতি নির্বাচিত হন প্রখ্যাত কৃষক নেতা হাজী মোহাম্মদ দানেশ এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সিলেটের মাহমুদ আলী।  পরবর্তীতে মাহমুদ আলী তার মতাদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে পাকিস্তানপন্থী হয়, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পশ্চিম পাকিস্তানে স্থায়ীভাবে চলে যান। পুরস্কারস্বরূপ তিনি দীর্ঘদিন মন্ত্রীত্বের গদিও লাভ করেন পাকিস্তানে। মাহমুদ আলী পূর্ব বাংলার যুক্ত ফ্রন্ট মন্ত্রীসভারও অন্যতম সদস্য ছিলেন গণতন্ত্রী দলের পক্ষ থেকে।

যাহোক, ভাষা আন্দোলনের বহুমুখী তাৎপর্যের মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো, ঐ আন্দোলনের পর থেকে (১৯৫২-৭৫) পর্যন্ত এ দেশে নতুন করে কোনও ধর্মভিত্তিক দল গড়ে ওঠেনি মুক্তিযুদ্ধের পরে তো ধর্মের নামে পাকিস্তান আমলের মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীসহ সকল ধর্মভিত্তিক দল বাহাত্তরের সংবিধানে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। কিন্ত তা স্থায়ী হতে পারেনি বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়া ও এরশাদের কল্যাণে।

যাহোক, ভাষা আন্দোলনের বহুমুখী অবদানের বাইরে অপর একটি উল্লেখযোগ্য আবেদন ছিল ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশত্যাগ একেবারে কমে যাওয়া এবং বাংলা সংবাদপত্রগুলির নাম (নতুনভাবে প্রতিষ্ঠত) আরবি উর্দুতে, না হয়ে বাংলায় রাখার প্রবণতা। এ প্রবণতা আজও শতভাগ বিরাজমান।

নিত্যদিন প্রকাশিত অজস্র নিবন্ধে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার নবতর বিকাশে ভাষা আন্দোলনের বিপুল অবদানের কথা প্রকাশিত হয়েছে এবং হচ্ছে। তাই পুনরুক্তি নিষ্প্রয়োজন। আর এগুলির সম্মিলিত অবদানই হলো একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন।

তাই ভাষা আন্দোলন এবং যাঁরা তা করেছেন, সংগঠিত করেছেন ও নেতৃত্ব দিয়েছেন তাতে যাঁরা শহীদ হয়েছেন এবং এই দীর্ঘ ৬৫ বছরে যাঁরা মৃত্যুকূপে পতিত হয়েছেন ও আজও যাঁরা জীবিত আছেন বাঙালি জাতি ঐতিহাসিকভাবেই তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ। বেঁচে থাকা ভাষা সংগ্রামীদের মধ্যে কেউ বা রোগে অর্থাভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত থাকছেন কেউ বা রিকশা চালিয়ে জীবদ্দশায় কোনোমতে দিন গুজরান করতে বাধ্য হয়েছেন, কেউ বা অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।

অপরপক্ষে এত বিপুলভাবে জাতি যাদের কাছে ঋণী তাঁদের নামের তালিক সরকারীভাবে আজও প্রণীত হয়নি।  হয়নি কোনো গেজেট নোটিফিকেশন। শহীদ কিংবা জীবিতদের জন্য উপযুক্ত ভাতাও আজ পর্যন্ত কোন সরকারই প্রবর্তন করেননি।

আর দশ-পনের বছর পরে ভাষা সংগ্রামীদের তালিকা প্রণয়ন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে বাধ্য। কারণ তখন আর একজনও ভাষা সংগ্রামী/ভাষা আন্দোলনের সংগঠকের জীবিত থাকার সম্ভাবনা অতিশয় ক্ষীণ।

তাই আশা কির, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আর কালবিলম্ব না করে এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়ে জাতির তরফ থেকে এ ঋণ পরিশোধে অগ্রণী হবেন। প্রাথমিক দায়িত্ব আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আর প্রত্যাশা এই যে দেশের সকল প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনও এই দাবীটির গুরুত্ব অনুধাবন করে তা মেনে নেওয়ার দাবীতে সোচ্চার হবেন এবং আন্দোলনও গড়ে তুলবেন চালাবেন ঐ আন্দোলন বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত সমগ্র দেশজুড়ে।

একুশে পদক নামে একটি পদক প্রবর্তিত হয়েছে যা প্রতি বছর ভাষা সংগ্রামীসহ নানাক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য প্রদান করা হয়ে থাকে। কিন্তু আজও ঐ পদক ভাষা সৈনিকদের এক চতুর্থাংশের ভাগ্যেও জোটে নি। জুটেছে তার শতকরা ৯৯ ভাগই ঢাকাবাসী যদিও আন্দোলনটি সমগ্র পূর্ববাংলাব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল। তাই এ বিষয়টিরও সুরাহা অত্যন্ত জরুরী।

প্রত্যয় হোক আমরা ভাষা সৈনিকদেরকে হারাতে চাই না। তাঁদেরকে যথাযথ সম্মানের সাথে ইতিহাসে স্থান দেওয়ার দায়িত্বটি পুরোপুরি পালন করতে চাই। মিডিয়াগুলো তেমন ভূমিকা নিলে ব্যাপারটি আরও সহায়ক হয়।