আরেকটি নাশকতা মামলা: যশোরে বিএনপি নেতা অ্যাড. সাবু ও খোকনসহ ২০ নেতাকর্মীকে আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক>
নাশকতামূলক কর্মকান্ডের অভিযোগ এনে যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সাবেরুল হক সাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ ২০জনকে আসামি করেছে পুলিশ।
গতকাল মঙ্গলবার সদর ফাঁড়ি পুলিশের এটিএসআই মো. সেলিম এ কোতয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।
অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও দেলোয়ার হোসেন খোকন ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছেন, শহরের ঘোপ জেল রোডের মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে মোকছেদ আলী ওরফে মুনলাইট (বাংলাদেশ মটর পার্টস টায়ার টিউব ব্যবসায়ী সমিতির যশোর সার্কেলের কোষাধ্যক্ষ), ওয়াপদা মোড় মহিলা কলেজের পাশের মৃত আইয়ুব উদ্দিনের ছেলে গোলাম রেজা দুলু, এইচ এম এম রোডের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে মারুফুল ইসলাম মারুফ, মিশনপাড়ার মৃত আক্তার আহমেদ সিদ্দিকীর ছেলে মনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, লালদিঘি পূর্বপাড়ের মৃত জহুরুল হক চুয়ার ছেলে এহসানুল হক মুন্না, ঘোপের মৃত এয়াকুব আলীর ছেলে মারুফ, বেলতলা মুচিপাড়ার শহিদ কসাইয়ের ছেলে কামাল হোসেন কামাল, জেল রোড বেলতলার লাবু, মৃত বক্কার আলীর ছেলে কাজল, চুড়িপট্টির হাসিব, কদমতলার বুল্লা, চুড়িপট্টির মৃত নয়ন চৌধুরীর ছেলে রাজিবুল হাসান মুল্লুক চাঁদ, তারেক সিদ্দিকীর ছেলে রায়হান সিদ্দিকী, ঘোপ জেল রোডের আনোয়ার হোসেন, মৃত হযরত ব্যাপারির ছেলে বাবু, চুড়িপট্টির দিলসাদের ছেলে রকি, খালধার রোড নিকেরিপাড়ার সালাহউদ্দিনের ছেলে আজগর এবং চট্টগ্রামের হাটহাজারি থানার আমিন বাজার খলিল সরকারের বাড়ির খায়রুল বাশার ছেলে বর্তমানে যশোর শহরের ঘোপ কবরস্থানের পাশের আব্দুর রহমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া শফিউল বাশার রনি। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ২০-৩০জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের এই মামলায় দাবি করা হয়েছে, ‘গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টার পুলিশ খবর পায় আর এন রোডস্থ মদিনা অটোসের সামনে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা নাশকতামূলক কর্মকা-ের জন্য সমবেত হয়েছেন। এ খবর পেয়ে পুলিশ আসামিরা ৩-৪টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ সেখান থেকে আসামি মোকছেদ আলীকে আটক করে।’