যশোরে সাবেক এমপি আবু সাঈদসহ ২৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নাশকতা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোর-২ সাবেক সংসদ সদস্য জামায়াত নেতা মোহাদ্দিস আবু সাঈদ মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসাইনসহ জামায়াতে ইসলামীর ২৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় নাশকতার মামলা হয়েছে। সদর উপজেলার জিরাট দাখিল মাদ্রাসার একটি কক্ষে বসে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নাশকতা কর্মকান্ডের জন্য গোপন বৈঠক হচ্ছিল। আর ওই বৈঠকের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেরা মুন্নী।
কোতয়ালি থানার এসআই হাসানুর রহমানের দায়ের করা ওই মামলার এজাহারে এ কথা উল্লেখ করেছেন। বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকদ্রব্যও উদ্ধার হয়েছে সেখান থেকে।
অন্যান্য আসামিরা হলেন সদর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের মাওলানা আব্দুল হান্নান, একই গ্রামের ইমান আলীর ছেলে আব্দুল হান্নান, নরেন্দ্রপুর গ্রামের মাওলানা মোস্তফা, মাওলানা ময়েজ উদ্দিন, বিল্লাল হোসেন ও তার ভাই আরিফুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, শাখারীগাতি গ্রামের মাওলানা রইজ উদ্দিন, তরিকুল ইসলাম, জিরাট গ্রামের মাওলানা আবু জাফর, কচুয়া গ্রামের মাওলানা আব্দুল মালেক, একই গ্রামের মৃত মৃত মায়েজ খানের ছেলে আব্দুল মালেক, ফজলে খান, রুপদিয়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেন, হাটবিলা গ্রামের আব্দুল মজিদ, লাল্টু, সুমন, আবুল কাশেম, মাওলানা আক্তার, সমশের আলী, মতিয়ার রহমান মহিন, মুনসেফপুর গ্রামের তরিকুল ইসলাম, কিসমত নওয়াপাড়া এলাকার কুদ্দুস গাজী এবং নড়াইলের আফরা এলাকার মাওলানা সাইফুর রহমান।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জিরাট দাখিল মাদ্রাসার নিচতলা পশ্চিমপাশের একটি কক্ষে বসে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলো। গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে হাজির হয় এবং মোহাদ্দিস আবু সাঈদ মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেনকে আটক করেন। বাকিরা পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে আসামিদের ফেলে যাওয়া ২০টি হাত বোমা, ৫টি পেট্রোল বোমা, ১০টি রামদা, ২টি চাইনিজ কুড়াল ও ২টি ক্রিচ জব্দ করা হয়।
এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আটক আসামি আবু সাঈদকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি জানিয়েছেন, ওই বৈঠকের মূল পরিকল্পনাকারী ঝিকরগাছার কীর্ত্তিপুর গ্রামের মৃত নাজমুল হোসেনের স্ত্রী বিএনপি নেতা সাবেরা নাজমুল মুন্নী। উল্লেখ্য, সাবেরা মুন্নী বর্তমানে ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।