দৌলতখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গৃহবধুকে ধর্ষণ

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক :

দৌলতখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গৃহবধুকে ধর্ষণ

ভোলার দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের দিদারউল্লাহ ৪ নং ওয়ার্ডে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে ।অন্যদিকে বর্তমানে ধর্ষিতা কোন উপায় না পেয়ে তার পরকীয়া বন্ধু ধর্ষকের বসত ঘরে অবস্থান নিয়েছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনা সূত্রে জানাগেছে, ৪ বছর পূর্বে ওই এলাকার ছালেম মালের ছেলে প্রবাসী জুয়েলের সাথে উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের আলম তাজ মিয়ার মেয়ে লিমা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অবনাবন দেখা দেয়। এর জের ধরে লিমার সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক হয় একই বাড়ীর মৃত রশিদ মালের ছেলে হাসনাইন মালের (২৫)। এক পর্যায়ে হাসনাইন লিমার (২৩) সাথে দৈহিক মিলন করার জন্য কু প্রস্তাব দেয়। এতে লিমা রাজি না হলে হাসনাইন তাকে বিয়ে করবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৪ মাস যাবৎ তাকে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করে। ইতি মধ্যে লিমা একমাত্র হাসনাইনের দেয়া কথায় বিশ্বাস করে গত ১৯ জানুয়ারী (২০১৮) তারিখে তার নিজের ইচ্ছায় পূর্বের স্বামী জুয়েলের সাথে তালাকের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটায়। এর পর লিমা হাসনাইনকে বিয়ে করতে বললে সে তাকে পাত্তা না দিয়ে বাড়ি থেকে লুকিয়ে অন্যত্র চলে যায়।

তবে এলাকাবাসী জানায় হাসনাইন লিমাকে দুরে সরানোর জন্য তালাকের পর পরই তার মামাতো বোন নলগোড়ার নান্টু মাষ্টারের মেয়ে লিয়াকে বিয়ে করেছে।এসব কথা শুনে লিমা শনিবার সকালে হাসনাইন এর বসত ঘরে অবস্থান নেয়। সে জানায় যদি হাসনাইন আমাকে বিয়ে না করে তবে আমি তার নামে ধর্ষণ মামলা করব অন্যথায় এ ঘরের মধ্যে থেকেই আত্নহত্যা করব।

এ ঘটনায় ২০ জানুয়ারী (২০১৮) তারিখে শনিবার দৌলতখান থানার কর্মরত এস.আই জেন্নাত এসে পরিদর্শন করেন।