যশোরে বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ফের নাশকতা মামলা, আসামি ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোরে আবারো বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নাশকতা মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে দায়েরকৃত মামলায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ ১৭জনকে এজাহারভূক্ত আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ওই মামলায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাজেদুর রহমান সুজাসহ ৪জনকে অর্থ যোগানদাতা দাবি করা হয়েছে। এদিকে নাশকতার মামলায় একজনকে আটকের দাবি করা হয়েছে। নাজমুল হুদা নামে আটক ওই ব্যক্তিকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি সদর উপজেলার ঘুনি পূর্বপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে।
পুলিশের দায়ের করা মামলায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও আটক নাজমুল হুদা ছাড়া অন্যরা হলেন, শহরের রেলগেট এলাকার আনসারুল ইসলামের ছেলে শাহিন, মোল্লাপাড়া আমতলা এলাকার মুজাম ও রহমান, বারান্দী কলোনিপাড়ার টেনিয়া, আরএন রোডের লুৎফর রহমানের (এল রহমান) ছেলে সোহাগ, নলডাঙ্গা রোড কাস্টমস গোডাউনের পাশের মৃত মোশাররফ হোসেনের ছেলে মিন্টু, একই এলাকার মনিরুজ্জামান মাসুম, নীলগঞ্জ সাহাপাড়ার বিপুল, আর এন রোডের আতাউল্লাহ, বেজপাড়া নলডাঙ্গা রোডের ওয়াশিংটন, বারান্দীপাড়া কদমতলার পটল, সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা বাবলাতলার নুরু মিয়ার ছেলে মো. গনি ও ইব্রাহিম, শহরের এইচ এম এম রোডের মৃত আবুল মিয়ার ছেলে আলমগীর, লোন অফিস পাড়ার আব্দুর রহিমের ছেলে আকমাম, এইচ এম এম রোডের মো. রফিকের ছেলে ফয়সাল, ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের আবু বক্কার সিদ্দিকের ছেলে রুহুল কুদ্দুস মুকুল, হাজি আব্দুল করিম লেনের মৃত আবুল ফকিরের ছেলে আলী আকবর ও সদর উপজেলার ভায়না গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলী বিশ্বাসের ছেলে কামরুজ্জামান বিদ্যুৎ। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ২০-২৫জনকে আসামি করা হয়েছে। অপরদিকে ওই মামলায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাজেদুর রহমান সুজাসহ ৪জনকে অর্থ যোগানদাতা হিসেবে দাবি করা হয়েছে। অন্য ৩জন হলেন-চুড়িপট্টির মৃত নয়ন চৌধুরীর ছেলে মুল্লুক চাঁদ, রিপন চৌধুরী ও আর এন রোডের লুৎফর রহমানের ( এল রহমান) ছেলে সোহাগ। মামলায় পুলিশ দাবি করেছে, ‘গত সোমবার দুপুর ২টার দিকে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের এসআই তারেক মোহাম্মদ নাহিয়ান খবর পান নাশকতামূলক কর্মকা-ের জন্য নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা শহরের মণিহার এলাকার যশোর-খুলনা মহাসড়কের ২২৭ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসের সামনে মিছিল করছেন। এ খবর পেয়ে পুলিশ দুপুর সোয়া ২টার দিকে সেখানে যায়। এ সময় উল্লিখিতরা ২-৩টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশ সেখান থেকে নাজমুল হুদাকে আটক করে।’