বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছি ——–শেখ আফিল উদ্দিন এমপি

ইয়ানূর রহমান >
সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন বলেছেন, বাংলা ভাষাকে রক্ষা করতে ছাত্ররাই প্রথম বুকের রক্তে রাজ পথ ভিজিয়েছিল। যার বিনিময়ে আজ আমরা মায়ের ভাষায় কথা বলতে পারছি। তাদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে ২১ ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের। কাজেই এই ভাষার ব্যবহার ও চর্চা ভুলে গেলে চলবে না। বাঙালি হিসেবে সব ঐতিহ্য আমাদের ধারণ করতে হবে। চর্চা করতে হবে।
বুধবার সকালে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শার্শা উপজেলা মিলনায়তনে নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই জাতির পিতা মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা পাই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, লাল-সবুজের পতাকা। জাতির পিতা ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন। বিশ্বসভায় বাংলা ভাষার মর্যাদা উচ্চ আসনে সমাসীন হয়।
তিনি মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, বিশ্বের ২৫ কোটি মানুষের ভাষা বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে প্রস্তাবনা রেখেছেন। এটির বাস্তবায়নে আমরা আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু।
এসময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও বক্তব্য রাখে।
এর আগে আমার ভাইয়ের রক্ত রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানের সাথে সাথে বুধবার ভোরে শার্শা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনের শহিদ মিনারে সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে ভাষা শাহদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এর পর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করে।
এদিকে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান সোহারাব হোসেনের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা শার্শার বুরুজ বাগান মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্তরের শহিদ বেদীতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।