এবার জেতাতে পারলেন না মুশফিক

অনীক মিশকাত>প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেননি। বাংলাদেশকে ১৭ রানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠেছে ভারত।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ভারত: ২০ ওভারে ১৭৬/৩ (রোহিত ৮৯, ধাওয়ান ৩৫, রায়না ৪৭, কার্তিক ২*; আবু হায়দার ০/৪৩, নাজমুল ০/২৭, রুবেল ২/২৭, মুস্তাফিজ ০/৩৮, মিরাজ ০/৩১, মাহমুদউল্লাহ ০/৯)

বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৫৯/৬ (তামিম ২৭, লিটন ৭, সৌম্য ১, মুশফিক ৭২*, মাহমুদুল্লাহ ১১, সাব্বির ২৭, মিরাজ ৭, হায়দার ০*; সিরাজ ১/৫০, সুন্দর ৩/২২, ঠাকুর ১/৩৭, চেহেল ১/২১, শঙ্কর ০/২৮)

ফল: ভারত ১৭ রানে জয়ী

মিরাজকে ফেরালেন সিরাজ

মেহেদি হাসনা মিরাজকে ফিরিয়ে নিজের প্রথম উইকেট নিলেন মোহাম্মদ সিরাজ। বোলারের মাথার ওপর দিয়ে উড়াতে চেয়েছিলেন মিরাজ। কিন্তু টাইমিং করতে পারেননি। লংঅফে ক্যাচ মুঠোয় জমান সুরেশ রায়না।

মুশফিকের ফিফটি

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফটি পেলেন মুশফিকুর রহিম। ছন্দে থাকা ব্যাটসম্যান এগিয়ে নিচ্ছেন দলকে।

৪২ বলে আসে টুর্নামেন্টে মুশফিকের টানা দ্বিতীয় ফিফটি। তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টানা দুই ইনিংসে ফিফটি পেলেন তিনি। সবশেষ পাঁচ ইনিংসে তৃতীয় পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেললেন মুশফিক।

সাব্বিরকে ফেরালেন ঠাকুর

মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৬৫ রানের জুটি গড়ে ফিরে গেলেন সাব্বির রহমান। তাকে বোল্ড করে নিজের প্রথম উইকেট নিয়েছেন শার্দুল ঠাকুর।

সমীকরণ ক্রমশ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। চড়াও হওয়া ছাড়া উপায় নেই। সময়ের দাবি মেটানোর চেষ্টায় ফিরে সাব্বির গেছেন বোল্ড হয়ে।

স্লোয়ার বলটি বুঝতে পারেননি সাব্বির। সজোরে ঘুরাতে চেয়েছিলেন লেগে। শট খেলে ফেলেন আগেই। ব্যাট ফাঁকি দিয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে বল। ২৩ বলে ২৭ রান করে ফিরে যান সাব্বির।

মুশফিক-সাব্বিরের পঞ্চাশ রানের জুটি

দ্রুত উইকেট হারানো বাংলাদেশ প্রতিরোধ গড়েছে মুশফিকুর রহিম ও সাব্বির রহমানের ব্যাটে। অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে দুই জনে গড়েছেন পঞ্চাশ রানের জুটি।

পঞ্চাশ ছুঁতে তাদের লেগেছে ৫.৪ ওভার। রানের গতি বাড়াচ্ছেন মুশফিক। তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন সাব্বির।

১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১১৬/৪। মুশফিক ৪৫ ও সাব্বির ২০ রানে ব্যাট করছেন।

মাহমুদউল্লাহকে ফেরালেন চেহেল

অফ স্পিনার ওয়াশিংটন সুন্দর তিন উইকেট তুলে নেওয়ার পর আঘাত হানলেন যুজবেন্দ্র চেহেল। লেগ স্পিনার ফিরিয়ে দিলেন মাহমুদউল্লাহকে

বাজে বলে আউট হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। বল উড়ানোর মতোই ছিল, কিন্তু টাইমিং করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। ফিরেন শর্ট বলে ডিপ মিড উইকেটে লোকেশ রাহুলকে ক্যাচ দিয়ে।

১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৪ উইকেটে ৬৪ রান। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী সাব্বির রহমান।

পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট

পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। এই সময়ে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছে তারা।

৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৪৮/৩। তিন ব্যাটসম্যাকেই ফিরিয়ে দেন ওয়াশিংটন সুন্দর। মুখোমুখি হওয়া প্রথম দুই বলে তরুণ অফ স্পিনারকে দুটি চার হাঁকান মাহমুদউল্লাহ। ক্রিজে তার সঙ্গী মুশফিকুর রহিম।

তামিমের আউটে বিপদে বাংলাদেশ

টানা তিন ওভারে উইকেট নিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। পরপর তিন ওভারে ফিরিয়ে দিলেন টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে। অফ স্পিনার সুন্দরের তৃতীয় শিকার তামিম ইকবাল।

সুন্দরের বল শর্ট ফাইন লেগের ওপর দিয়ে গলিয়ে দিতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ওপেনার। বলে ব্যাট ছোঁয়াতে পারেননি। অফ স্টাম্পে পড়ে বল স্পিন করে ভেতরে ঢুকে আঘাত হানে লেগ স্টাম্পে। ১৯ বলে ২৭ রান করা তামিম ফিরেন বোল্ড হয়ে।

সৌম্যকেও ফেরালেন সুন্দর

পরপর দুই ওভারে উইকেট নিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। লিটন দাসের পর ফিরিয়ে দিলেন সৌম্য সরকারকে।

বাজে শটে ফিরেন সৌম্য। অফ স্পিনারের স্টাম্পের বলে চড়াও হতে গিয়ে হয়ে যান বোল্ড। বলের ধারে কাছেও যাননি সৌম্য। বাঁহাতি টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ৩ বলে করেন ১ রান।

৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৩৬/২। ক্রিজে তামিম ইকবালের সঙ্গী আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক মুশফিকুর রহিম।

শুরুতেই ফিরলেন লিটন

আগের ম্যাচে দারুণ সূচনা এনে দেওয়া লিটন দাস ফিরলেন দ্রুত। দ্বিতীয় ওভারে ভাঙল বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি।

অফ স্পিনার ওয়াশিংটন সুন্দরকে এগিয়ে এসে খেলতে চেয়েছিলেন লিটন। তাকে বেরিয়ে আসতে দেখে অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরে বল করেন সুন্দর। স্পিন করে ভেতরে ঢোকা বলের নাগাল পাননি লিটন। ফিরে যান স্টাম্পড হয়ে। ৭ বলে ডানহাতি ব্যাটসম্যান করেন ৭ রান।

২ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১২/১। ক্রিজে তামিম ইকবালের সঙ্গী সৌম্য সরকার

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ভারত: ২০ ওভারে ১৭৬/৩ (রোহিত ৮৯, ধাওয়ান ৩৫, রায়না ৪৭, কার্তিক ২*; আবু হায়দার ০/৪৩, নাজমুল ০/২৭, রুবেল ২/২৭, মুস্তাফিজ ০/৩৮, মিরাজ ০/৩১, মাহমুদউল্লাহ ০/৯)

রান আউট রোহিত

রোহিত শর্মাকে ফেরাতে পারল বাংলাদেশ। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হয়ে গেলেন ভারত অধিনায়ক।

রুবেল হোসেনের বলে স্ট্রেট ড্রাইভ করেন রোহিত। হাত দিয়ে বল ঠেকিয়ে দেন রুবেল। রান নিতে ছুটেন দুই ব্যাটসম্যান। ৬১ বলে ৮৯ রান করা রোহতিকে রান আউট করে দেন রুবেল।

রায়নাকে ফেরালেন রুবেল

সুরেশ রায়নাকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নিলেন রুবেল হোসেন। ভাঙলেন শতরানের জুটি।

ছক্কা হাঁকিয়ে পঞ্চাশ ছুঁতে চেয়েছিলেন রায়না। টাইমিং করতে পারেননি। সীমানায় চমৎকার ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার। ৩০ বলে ৪৭ রান করে ফিরে যান রায়না। ভাঙে ১০২ রানের জুটি।

রোহিত-রায়নার শত রানের জুটি

৫.৩ ওভারে পঞ্চাশ ছুঁয়ে ছিল জুটির রান। রোহিত শর্মা ও সুরেশ রায়নার দ্বিতীয় উইকেট জুটির রান তিন অঙ্কে গেল ৮.৫ ওভারে। দ্বিতীয় পঞ্চাশ এল মাত্র ৩.২ ওভারে।

১৯ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৭২ রান। রোহিত শর্মা ৮৮ ও সুরেশ রায়না ৪৭ রানে ব্যাট করছেন।

রোহিত-রায়নার পঞ্চাশ রানের জুটি

ক্রিজে এসেই বোলারদের ওপর চড়াও হয়েছেন সুরেশ রায়না। রোহিত শর্মার সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন দ্বিতীয় উইকেটে গড়েছেন পঞ্চাশ রানের জুটি। ৫.৩ ওভারে পঞ্চাশ রানে যায় জুটির সংগ্রহ।

১৬ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১২৬ রান। রোহিত ৫৮ ও রায়না ৩১ রানে ব্যাট করছেন।

রোহিতের ফিফটি

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজের প্রথম ফিফটি পেলেন রোহিত শর্মা। তার ত্রয়োদশ পঞ্চাশে এগোচ্ছে ভারত।

৪২তম বলে বাংলাদেশের বিপক্ষে তৃতীয় পঞ্চাশ স্পর্শ করেন রোহিত। এই সময়ে তার ব্যাট থেকে আসে তিনটি চার ও দুটি ছক্কা।

১৩ ওভার শেষে ভারতের স্কোর ৯৩/১। রোহিত ৫১ ও সুরেশ রায়না ৫ রানে ব্যাট করছেন।

ইয়র্কারে ধাওয়ানকে ফেরালেন রুবেল

দ্রুত রান তোলা শিখর ধাওয়ানকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেন রুবেল হোসেন। তার দারুণ ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে যান ছন্দে থাকা ধাওয়ান।

মিডল স্টাম্পের বল ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ওপেনার। নিখুঁত ইয়র্কারে ব্যাট ছোঁয়াতে পারেননি। উড়ে যায় মিডল স্টাম্প। ২৭ বলে ৩৫ রান করে ফিরেন ধাওয়ান। ভাঙে ৯.৫ ওভার স্থায়ী ৭০ রানের জুটি।

১০ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৭১ রান। ক্রিজে রোহিত শর্মার সঙ্গী সুরেশ রায়না।

ধাওয়ানকে জীবন দিলেন লিটন

জুটি ভাঙার সুযোগ হাতছাড়া করলেন লিটন দাস। সীমানায় জীবন দিলেন শিখর ধাওয়ানকে।

নাজমুল ইসলামের অপুর লেগ-মিডল স্টাম্পের বল মিড উইকেট দিয়ে উড়াতে চেয়েছিলেন ধাওয়ান। টাইমিং করতে পারেননি বাঁহাতি ওপেনার। সীমানার ফিল্ডার লিটন কিছুটা সময় পেলেও বলের নিচে যেতে পারেননি। শেষে ঝাঁপিয়ে এক হাতে ক্যাচ নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। সে সময় ২২ রানে থাকা ধাওয়ান পেয়ে যান আরেকটি চার।

পাওয়ার প্লেতে ভারত ৪৯/০

পাওয়ার প্লেতে ঝড় তুলতে পারেননি ভারতের দুই ওপেনার। তবে তাদের বিচ্ছিন্নও করতে পারেননি বাংলাদেশের বোলাররা।

ছয় ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৯ রান তুলেছে ভারত। রোহিত শর্মা ২৬ ও শিখর ধাওয়ান ২২ রানে খেলছেন।
খুব বেশি রান খরচ করেননি বাংলাদেশের কোনো বোলার। দুই বছর পর খেলতে নেমে ভালো করছেন পাওয়ার প্লেতে দুটি ওভার করা আবু হায়দার।

ভারত দলে এক পরিবর্তন

টানা দুই জয় পাওয়া ভারত একাদশে এনেছে একটি পরিবর্তন। জয়দেব উনাদকাটের জায়গায় দলে এসেছেন আরেক পেসার মোহাম্মদ সিরাজ।

ভারত দল: রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, সুরেশ রায়না, মনিশ পান্ডে, দিনেশ কার্তিক, ওয়াশিংটন সুন্দর, যুজবেন্দ্র চেহেল, বিজয় শঙ্কর, শার্দুল ঠাকুর, মোহাম্মদ সিরাজ।

বাংলাদেশ দলে এক পরিবর্তন

আগের দুই ম্যাচে একই একাদশ নিয়ে খেলা বাংলাদেশ এনেছে একটি পরিবর্তন। খরুচে বোলিং করা তাসকিন আহমেদ বাদ পড়েছেন। দলে ফিরেছেন আবু হায়দার। বাঁহাতি এই পেসার দুই বছর আগে সবশেষ দেশের হয়ে খেলেছিলেন।

বাংলাদেশ দল: মাহমুদউল্লাহ, তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, আবু হায়দার, নাজমুল ইসলাম অপু, মেহেদী হাসান মিরাজ।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। সিরিজে আগের চার ম্যাচেই টস জেতা অধিনায়ক প্রথমে বোলিং করেছেন। চার ম্যাচেই জিতেছে লক্ষ্য তাড়া করা দল।

টি-টোয়েন্টির বাংলাদেশি ব্র্যান্ড

কেবল একটি টি-টোয়েন্টি জয়। তবে সেই জয় এমন বৃত্ত ভাঙা জয় যে সেটি নিয়ে চলছে নানারকম বিশ্লেষণ। জয়ের পর সেদিনের ক্রিকেটকে তামিম ইকবাল বলেছিলেন বাংলাদেশি ব্র্যান্ড। আলোচনার ঢেউ তাতে আরও উত্তুঙ্গ। ত্রিদেশীয় সিরিজে তুমুল আলোচনায় এখন বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের টি-টোয়েন্টি।

টি-টোয়েন্টির দাবি মেটানোর জন্য বাংলাদেশ দলে শুরুতে নেই ঝড় তোলার মত কেউ, মাঝে নেই বিস্ফোরক কোনো ব্যাটসম্যান। এই সংস্করণে নিজেদের ছাপটা রাখতে পারেনি বাংলাদেশ, নেই নিজস্ব কোনো ঘরানা। নিজেদের একটি ব্র্যান্ড গড়ার ভাবনাটিই তাই দুঃসাহসী।

তবে সেই দুঃসাহসই দেখিয়েছে দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা। নিজস্বতা তৈরির সেই তাড়না থেকে বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের জন্ম। হতাশার দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পর সামনে এগোনেই কেবল সম্ভব। সেই চ্যালেঞ্জটা নিয়েছে দল।

ক্রিকেটাররা অনুভব করেছেন, নিজেদের ধরনটা বুঝে, নিজেদের সামর্থ্যের সীমানায় থেকেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে জয় করতে হবে। বুধবার এই বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের আরেকটি পরীক্ষা। চ্যালেঞ্জ জানাতে অপেক্ষায় ভারত। আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়।

দুই দলের প্রথম দেখায় ৬ উইকেটে হারে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশকে ভাবাচ্ছে বৈচিত্রময় ভারতীয় বোলিং

ত্রিদেশীয় সিরিজে ভারতের দুটি জয়েই ম্যাচ-সেরা দুই পেসার। ভালো করছেন আরেক পেসারও। বোলিংটা দারুণ হচ্ছে ভারতের দুই স্পিনারেরও। ম্যাচ জিততে হলে ভারতের এই বৈচিত্রময় বোলিং আক্রমণ সামলাতে হবে, অনুভব করছেন মাহমুদউল্লাহ।

দুই দলের প্রথম লড়াইয়ের ভাগ্য গড়ে দিয়েছিল ভারতীয় বোলিংই। বোলিং দিয়ে ম্যান অব দা ম্যাচ হয়েছিলেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার বিজয় শঙ্কর। বাঁহাতি পেসার জয়দেব উনাদকাট উইকেট নিয়েছিলেন তিনটি। কিপটে বোলিংয়ে এক উইকেট ছিল আরেক পেসার শার্দুল ঠাকুরের।

সোমবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভারতের জয়ের ভিতও গড়ে দিয়েছিলেন বোলাররাই। ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা শার্দুল। অন্য দুই পেসারও নেন একটি করে উইকেট।

ভারতের ৫ বোলারই নজর কেড়েছেন বৈচিত্রময় বোলিংয়ে। বিশেষ করে গতির হেরফেরে। স্পিনাররা যেমন ব্যাটসম্যানদের ভোগাচ্ছেন গতি বৈচিত্রে; উনাদকাটের কাটার ও শার্দুলের ‘নাকল বল’ বিভ্রান্তিতে ফেলছে ব্যাটসম্যানদের।

প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে কেবল ১৩৯ রান তুলতে পেরেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচের আগে তাই মাহমুদউল্লাহর ভাবনা ভারতের বোলিং সামলানো নিয়ে।