উপশহরের মন্টুর স্ত্রী দাবিদার আলেয়াকে নিয়ে বিপাকে পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক>
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারি যশোর উপশহরের মাহফুজার রহমান মন্টুর মৃত্যুর পর স্ত্রী দাবিদার আলেয়া বেগমকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে পরিবার। আলেয়া বেগম এখন মন্টুর পেনশনের টাকাসহ সকল সুবিধা পাওয়ায় জন্য নানা ছলচাতুরি করে বেড়াচ্ছেন। মন্টু যে বিয়ে করেছে এমন কথা পরিবারের কেউ কোনদিন জানেনা। বুধবার প্রেসক্লাব যশোরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন মরহুম মন্টুর পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মন্টুর ভাই মখলুকার রহমান। উপস্থিত ছিলেন শরীফ মিজানুর রহমান, মঞ্জুয়ারা খাতুন ঝর্না, সেলিনা বেগম, শরীফ রায়হান উদ্দিন ও লিয়াকত আলী খান প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে মখলুকার রহমান জানিয়েছেন, আমার ভাই মাহফুজার রহমান বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড দিনাজপুরে মিটার রিডার পদে চাকরি করতেন। ২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে দিনাজপুরে মারা যান। আমরা ৩ ভাই ৩ বোন। মন্টু অবিবাহিত ছিল।
তিনি বলেন, সম্প্রতি মন্টুর পেনশনের টাকার জন্য পরিবারের সবাই সংশ্লিষ্ট অফিসে আবেদন করি। এরই মধ্যে আলেয়া বেগম নামে এক নারী মন্টুকে স্বামী দাবি করে কাবিননামা উপস্থাপন করে তার পেনশনের টাকাসহ সকল প্রকার সুবিধা দাবি করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আলেয়া বেগমের সন্তানেরা কেউই ছোট নেই। তাছাড়া আলেয়া বর্তমানে জাকির হোসেন নামে আরেক স্বামীর সাথে ঘর সংসার করছেন।
তিনি বলেন, গত বছরের ২৩ এপ্রিল পরিবারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক বরাবর লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছিল আলেয়া বেগমকে কোন প্রকান সুযোগ সুবিধা না দেয়ার জন্য। আলেয়া বেগমের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করা হয়েছে। ২০১৪ সালে মন্টু মারা যাওয়ার আগে আলেয়াকে বিয়ে করার বিষয়ে আমাদের পরিবারের কারো কাছে কোন তথ্য জানা নেই। সম্পূর্ণ প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে মন্টুর পেনশনের টাকা আত্মসাতের চক্রান্ত করছে আলেয়া বেগম। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কমনা করেছেন।