ফের কাশ্মীর হামলার ‘মূলহোতা’কে হত্যার দাবি

নিহতদের মধ্যে মুদাচ্ছির আহমেদ খান (২৩) নামে একজন রয়েছেন। তাকে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় পুলিশ কনভয়ে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে ৪২ জওয়ান হত্যার মূলহোতা বলে দাবি করা হয়েছে।

দক্ষিণ কাশ্মীরের ট্রাল এলাকায় রোববার রাতে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে খবর দিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

খবরে বলা হয়েছে, নিহতরা সবাই জইশ-ই মোহাম্মদের সদস্য। তবে, মুদাচ্ছির আহমেদ খান ওরফে মহদ ভাই ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী মনে করা হচ্ছে। তিনি সড়কে গাড়ি ও বিস্ফোরকগুলো জড়ো করে বিস্ফোরণ ঘটানোর নির্দেশ দেন।

সরকারি সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা পিটিআই খবর দিয়েছে, মুদাচ্ছির খান ওইদিন (১৪ ফেব্রুয়ারি) আত্মঘাতী হামলাকারী আদিল আহমেদ দারের সঙ্গে অনবরত ফোনে কথা বলেছেন। এসব কথোপকথনে তিনি সিআরপিএফ কনভয় যাওয়ার পথে সড়কে একটি বিস্ফোরক বোঝাই কার গাড়ি রাখার নির্দেশ দেন।

হামলার পর ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ তদন্ত করে হামলায় মুদাচ্ছির খানের জড়িতের প্রমাণ পায় এবং পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি তার বাড়িতেও অভিযান চালায়।

পুলওয়ামার ২৩ বছর বয়সী মুদাচ্ছির খান পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান (বিদ্যুৎমিস্ত্রী) এবং স্নাতক পাস। ২০১৭ সালে তিনি জইশ-ই মোহাম্মদে যোগ দেন। পরে তাকে কাশ্মীরে হামলার কাজে নিয়োজিত সংগঠনটির ‘নূর ট্রালি’ শাখায় যুক্ত করা হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুঞ্জাওয়ানার সেনাঘাঁটির হামলাতেও মুদাচ্ছির খান জড়িত ছিলেন। ওই হামলায় ৬ সেনা সদস্য ও এক বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। একই বছরের জানুয়ারিতে লেথপোড়া সিআরপিএফ ক্যাম্পে হামলায় ৫ জওয়ান নিহত হন। এটিতেও তিনি জড়িত ছিলেন।

এর আগেও ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পুলওয়ামা হামলার পর একাধিক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নিহতদের ওই হামলার মূলহোতা বলে দাবি করেছে।