যশোরের প্রাচীন বি.সরকার ঘুর্ণায়মান মঞ্চের শতবর্ষ পূর্তি উৎসবে ১৮ প্রবীণ নাট্যজনকে সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক >
১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের অন্যতম প্রাচীন নাট্যমঞ্চ যশোর ইনস্টিটিউটের নাট্যকলা বিভাগের বি.সরকার ঘুর্ণায়মান মঞ্চের শতবর্ষ পূর্তি উৎসব পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি এ উৎসবের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে জেলার ১৮ জন প্রবীণ নাট্যজনকে জানানো হয় সংবর্ধনা। জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল প্রধান অতিথি হিসেবে নাট্যজনদের হাতে তুলে দেন সংবর্ধনা ক্রেস্ট এবং ফুল। পরিয়ে দেন উত্তরীয়। তারা হলেন শেখ রবিউল আলম, ভবানী ব্যানার্জি,নজরুল ইসলাম, আলী আকবর, শেখ আলী আকবর, দিলীপ সাহা, তপন কুমার সাহা,অজিত ঘোষ, ফিরোজ সিদ্দিকী, মহিউদ্দিন লালু, মুনির হোসেন খাঁন, জাফর সাদিক, মাহামুদ রেজা, ড.সন্তোস দেবনাথ, সঞ্জয় চন্দ্র চন্দ ও প্রদীপ চক্রবর্তী রানা। এসময় সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল বলেন এখন আমরা ২৮ সেন্ট্রিমিটার মোবাইল ফোনের মধ্যে আটকা পড়ে গেছি। এর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন যশোরের নাট্যাঙ্গণ একসময় ছিল বেশ সমৃদ্ধ। সেই ধারাকে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হতে হবে। দেশের অন্যতম এই মঞ্চে নাটক মঞ্চায়নের মাধ্যমে মঞ্চটির ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহসভাপতি অধ্যাপক সুকুমার দাসের সভাপতিত্বে নাট্যজনদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন এক সময়ের জনপ্রিয় মঞ্চনাট্য অভিনেতা আলী আকবর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ হাসান বুলু। উৎসবে পরিবেশিত হয় ৫ টি নাটক। নাটক গুলো হলো জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পরিশেনায় পূন্যাহ্য, শেকড় যশোরের পরিবেশনায় বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, তির্যক যশোরের আমরা এখন নরকে, বিবর্তন যশোরের পাইচো চোরের কিস্সা এবং ডায়মন্ড ক্লাবের পরিবেশনায় নাটক রমিজ মিয়ার স্বাধীনতা। বিপুল সংখ্যক নাট্যপ্রেমী দর্শক উৎসবে নাটক উপভোগ করেন ।