পুঁজিবাজারের লেনদেন ৪০০ কোটি টাকার নিচে

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৩৬.৪১ পয়েন্ট কমেছে। এসময় সিএসইতে ৯ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

ডিএসই ও সিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বৃহস্পতিবার দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৫টির, দর কমেছে ১৫৪টির ও দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৬টির। এসময় ডিএসইতে ৭ কোটি ২৮ লাখ ৮৭ হাজার ৯৭৯টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে ডিএসইতে ৩৯০ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা ২০১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বরের পর সর্বনিম্ন। এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে ৪১৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল।

বিনিয়োগকারীদের বিক্রয় চাপে দিনশেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৩০.৪০ পয়েন্ট কমেছে। এসময় ডিএসইএক্স সূচক ৫৫৭০.১৫ পয়েন্টে স্থিতি পায়। পাশাপাশি শরীয়াহ্ ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর মূল্যসূচক ডিএসইএস কমেছে ৫.২৭ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ সূচক ১২.৫৮ পয়েন্ট কমেছে।

লেনদেন শেষে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিঙ্গার বাংলাদেশ। দিনশেষে কোম্পানিটির ২৩ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, কোম্পানিটির ১৭ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভার তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে ছিল ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- ব্র্যাক ব্যাংক, মুন্নু সিরামিক, ইউনাইটেড পাওয়ার, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ ও ম্যারিকো বাংলাদেশ।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৩৬.৪১ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৩৭০ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। এসময় সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩৬টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭৫টির, দর কমেছে ১৩৭টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ২৪টি প্রতিষ্ঠানের।

দিনশেষে সিএসইতে ৯ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ব্র্যাক ব্যাংক, কোম্পানিটির ৬৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।