টাঙ্গাইলে চুলের স্টাইলে জরিমানা সরলো, তবে…

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে স্টাইল করে চুল, দাঁড়ি-গোফ কাটলে জরিমানার যে ‘সরকারি’ আদেশ দেয়া হয়েছিল, সমালোচনার মুখে তা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে শীল সমিতি এই আদেশ প্রত্যাহার করে নেয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ পরিবর্তন ডটকমকে জানান, সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর সোশ্যাল মিডিয়াতেও ঝড় তোলে চুলের স্টাইল নিয়ে দেয়া ওই নির্দেশনা। এরপর ওসির সঙ্গে আলোচনা করে সেই নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ভূঞাপুর উপজেলা শীল সমিতির সভাপতি শেখর চন্দ্র শীল পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘ইউএনও আমাদের ডেকেছিলেন। চুল কাটার নির্দেশনা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে বলে জানান। পরে সেটি প্রত্যাহার করা হয় এবং ওসির পক্ষ থেকে সবাইকে জানানোও হয়েছে।’

 

তিনি দাবি করেন, নির্দেশনায় যে ৪০ হাজার টাকা জরিমানার কথা বলা হয়েছিল, সেটি থাকছে না। কিন্তু, শীলরা এখন থেকে বখাটে স্টাইলে কারও চুল কাটবেন না।

ভূঞাপুর থানার ওসি রাশিদুল ইসলাম  জানান, স্থানীয় অভিভাবক এবং শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বখাটে স্টাইলে চুল কাটা নিয়ে বিরক্ত ছিলেন। তারা একাধিকবার সেলুন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেও সেটি বন্ধ করতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘অভিভাবক এবং শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শীল সমিতি একটি নোটিস লিখে আনেন, তাতে আমি স্বাক্ষর করি। ফলে সেটি সরকারি আদেশ হিসেবে কার্যকর হয়।’

ওসির ভাষ্য, ‘বিষয়টি নিয়ে খবর প্রকাশ হলে বিতর্ক দেখা দেয়। নানা প্রশ্নের মুখে ইউএনও আমার সঙ্গে কথা বলেন। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে সেই আদেশ শুক্রবার রাতে তুলে নেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আদেশ প্রত্যাহার হলেও নাপিতেরা কারও চুল বখাটে স্টাইলে কাটবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’