মাদক মামলায় সাজা শিরিনেরআর কারাবন্দি রেখা

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোরে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি না হয়েও রেখা খাতুন নামে এক নারী কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রেখা যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া ইসাইল কলোনীর আলমগীর হোসেনের স্ত্রী ও ঝিনাইদহ শহরের শহীদ মশিউর রহমান সড়কের বাসিন্দা লাল্টু শেখের মেয়ে। কোতয়ালি থানা পুলিশ তাকে শিরিন বেগম নামে আটক করে গত ২০ মার্চ আদালতে সোপর্দ করেছে। গত ২৪ মার্চ এব্যাপারে আইনজীবীর করা আবেদনের শুনানি শেষে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার আদেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপারকে।
রেখা খাতুনের আইনজীবী আব্দুস সহিদ জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট একটি মাদক মামলায় যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া ইসমাইল কলোনির শহিদুল ইসলামের স্ত্রী শিরিন বেগমকে ২ বছর সশ্রম কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেয় আদালত। এ মামলায় শিরিন বেগমের স্বামী শহিদুল ইসলামকে খালাস দেয়া হয়। শিরিন বেগম পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
গত ২০ মার্চ কোতয়ালি থানা পুলিশ একই এলাকার রেখা খাতুনকে আটক করে শিরিন বেগম নামে। পুলিশকে কোনভাবে রেখা খাতুনকে বুঝাতে পারেনি সে শিরিন বেগম নয়। অবশেষে রেখা খাতুনকে পুলিশ আদালতে সোপর্দ করলে সাজাপরোয়নাসহ কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আইনজীবী আটক রেখা খাতুন যে শিরিন বেগম নয় সে ব্যাপারে আদালতে একটি আবেদন করেছিলেন। আবেদনের সাথে রেখা খাতুনের পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দিয়েছিলেন। বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে এব্যাপারে তদন্ত করে পুলিশ সুপারকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। রেখা খাতুন বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক আছেন।