প্রকৃতি আর নদীর চমৎকার হাওয়াও মেলে নৌপথে

নৌপথে ভ্রমণে এই ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন

সহজ, সস্তা ও আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য জাহাজ ছাড়া আর কোনো ভালো উপায় নেই। যাত্রাপথেও ধুলা থেকে রেহাই, বাড়তি হিসেবে পাবেন খোলা প্রকৃতি আর নদীর চমৎকার হাওয়াও মেলে নৌপথে। তবে শুধু নৌভ্রমণে গেলে কিছু বিষয়ে একটু মনোযোগ রাখা দরকার। নয়তো আপনার সামান্য ভুলের জন্য বড় মাশুল গুণতে হতে পারে। চলুন জেনে নিই জাহাজ ভ্রমণের পূর্বে যা করা উচিত-

১. কষ্ট করে হলেও নিজ দায়িত্বে টিকিটের ব্যবস্থা করুন। লঞ্চে বা স্টিমারে যেটাতেই চড়ুন না কেনো, সেটার ফিটনেস দেখে নিন। জেনে নিন এতে লাইফ জ্যাকেটের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে কি না। ভুলেও দালালের খপ্পরে পড়বেন না।

২. সাথে লাগেজ যদি বেশি থাকে তাহলে একটা কেবিন ভাড়া নেওয়া ভালো। আপনি কেবিনে থাকুন আর না থাকুন, আপনার মালামাল নিয়ে বাড়তি চিন্তা করতে হচ্ছে না।

৩. সাথে অতিরিক্ত কাপড়চোপড় রাখবেন। যেকোনো সময়ই ঠাণ্ডা লাগতে পারে, কাজেই এই সতর্কতা অনেক সময়ই কাজে দেবে।

৪. লঞ্চের ভেঁপুর আশপাশে না যাওয়াই ভালো। আপনি পাশে থাকা অবস্থায় হঠাৎ এটি বেজে উঠলে আপনার কানের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৫. লঞ্চে উল্টোপাল্টা খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো। অপরিচিত কারো কাছ থেকে কোনো খাবার নিবেন না।

৬. ব্যক্তিগত উদ্যোগে নৌভ্রমণের ক্ষেত্রে আগেভাগেই নৌযান ঠিক করে রাখলে ভালো। একটু লম্বা সময়ের জন্য ভ্রমণ হলে নৌযানটি সেভাবেই নির্বাচন করতে হবে।

৭. যে জায়গায় যেতে চাচ্ছেন, সেটি সম্বন্ধে ভালোভাবে খোঁজখবর নিন। অনলাইনে চেক করে দেখতে পারেন। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনার বিবরণ পেলে সেদিকে না যাওয়াই ভালো।৮. সাথে রাখতে পারেন দরকারি কিছু ওষুধ। অনেকের ঢেউয়ে সমস্যা হয়। এছাড়া পরিমাণ মতো বিশুদ্ধ খাবার পানি রেখে দিন।

৯. যতই ভালো সাঁতারু হোন না কেনো, নৌকা থামিয়ে সাঁতরানোর শখটা বিসর্জন দিলেই ভালো করবেন। সাঁতার না জানলে ভুলেও এ কাজ করবেন না।

১০. যদি বন্ধুরা মিলে বেড়াতে যান, সে ক্ষেত্রে আপনাদের সংখ্যা বুঝে নৌকা বা যান বাছাই করুন। কখনোই চাপাচাপি করে বা লোকে বোঝাই হয়ে কোনো নৌযানে উঠবেন না।

নদীপথে ভ্রমণে বাড়তি মনোযোগ দেয়া দরকার অবশ্যই। তাই সতর্ক থেকে নিরাপদে বাড়ি ফেরাই কাম্য।