ফুটবলের আরও উন্নয়নে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

তিনি বলেছেন, ‘ফুটবল জনপ্রিয় খেলা। এই খেলার আরও উন্নয়নে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। আমরা প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম করছি যাতে করে আমাদের ছেলে-মেয়েরা সেখানে অনুশীলন করতে পারে।’

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৮ এর বিজয়ীদের মধ্যে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। খবর: ইউএনবি

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই দেশের ছেলে-মেয়েরা তাদের মানসিকভাবে সুস্থ ও শারীরিকভাবে ফিটনেস ধরে রেখে এবং শৃঙ্খলা অর্জন করে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেবে।’

তিনি বলেন, এমন বড় একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে বাংলাদেশ বিশ্ব ইতিহাসে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ৬৫ হাজার ৭৯০টি স্কুলের ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫১৫ জন ছাত্র বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৮ তে অংশ নেয়। অন্যদিকে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৮ তে ৬৫ হাজার ৭০০ স্কুলের ১১ লাখ ১৬ হাজার ৯০০ ছাত্রী অংশ নেয়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ভিআইপি লাউঞ্জে বসে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেন।

ফাইনালে রংপুর বিভাগের লালমনিরহাটের তেপুরগাড়ি বিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে ময়মনসিংহ বিভাগের নান্দাইলের পাঁচরুখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের ফাইনালে সিলেট বিভাগের জৈয়ন্তাপুরের হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রংপুর বিভাগের নীলফামারীর দক্ষিণ কানাইলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে।

বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপের ফাইনাল ম্যাচ যথাক্রমে বেলা দেড়টা ও বিকাল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হয়।

বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ টুর্নামেন্ট ২০১০ সালে শুরু হয়। অন্যদিকে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ শুরু হয় ২০১১ সালে।

দুই টুর্নামেন্টই যথাক্রমে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয় এবং সমাপ্তি ঘটে জাতীয় পর্যায়ে ফাইনালের মাধ্যমে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় টুর্নামেন্ট দুটি আয়োজন করে।