ক্ষমতায় গেলে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি বাড়াবেন নেতানিয়াহু

বিবিসি বলছে, ইসরাইলি টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনারা তো জানতে চাচ্ছেন যে, পশ্চিম তীরে আমরা বসতি স্থাপনের পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়ন করছি কি না- উত্তরটা হলো- হ্যাঁ। আমরা পরবর্তী ধাপে বসতি স্থাপন করব।’

তিনি বলেন, ‘আমি (ইসরাইলি) সার্বভৌমত্বকে সম্প্রসারিত করতে যাচ্ছি এবং আমি বসতি ব্লক ও বিচ্ছিন্ন বসতির মধ্যে কোনো পার্থক্য করছি না।’

প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বৈধ নয়। যদিও ইসরাইল তার তোয়াক্কা করছে না।

পশ্চিম তীরে প্রায় চার লাখ হহুদির বসতি রয়েছে। আর পূর্ব জেরুজালেমে রয়েছে দুই লাখ ইহুদি বসতি।

অথচ পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম আর গাজা উপত্যকা নিয়ে ভবিষ্যত রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখছেন ফিলিস্তিনিরা। যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম।

এদিকে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের সিনিয়র কর্মকর্তা সায়েব এরাকাত। তিনি বলেছেন, নেতানিয়াহুর বক্তব্যে ‘আশ্চার্য হওয়ার’ কিছু নেই।

এরাকাত বলেন, ‘ইসরাইল এ রকম নির্লজ্জভাবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করবে আর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের দায়মুক্তি দিয়ে পুরস্কৃত করবে, বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের সমর্থন দেবে এবং ইসরাইলের মানবাধিকার লঙ্ঘনকে অনুমোদন দেবে।’

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘যেকোনো পদক্ষেপ কিংবা ঘোষণায় বাস্তবতা পরিবর্তন হবে না। বসতি স্থাপন অবৈধ এবং তাদেরকে অপসারণ করা হবে।’