ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল , ২০২১ ● ৩০ চৈত্র ১৪২৭

ঝিকরগাছায় সবুজ ডগায় বাতাসে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন

Published : Saturday 03-April-2021 21:44:12 pm
এখন সময়: মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল , ২০২১ ০৬:৪৪:২২ am

এম আলমগীর, ঝিকরগাছা : দিগন্তজুড়ে সবুজের সমারোহ। যতদূর চোখ যায় সবুজ আর সবুজ। এই সবুজের ডগায় বাতাসে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। সবকিছু ঠিক থাকলে বৈশাখ মাসে কাটা পড়বে কৃষকের স্বপ্নের ফসল ইরি ধান। সোনালী স্বপ্নে মেতে উঠবে কৃষক-কৃষাণীর মন। নবান্নে উৎসবে নতুন স্বপ্নের মোড় নেবে কৃষক পরিবারে।

গত মৌসুমে ধানের দাম বেশি হওয়ায় চলতি ইরি ধান মৌসুমে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। অন্য ফসলের তুলনায় ধান চাষে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। গত বছরের তুলনায় ধানের উৎপাদনও বেশি হবে বলে আশা করছে উপজেলার কৃষকরা।

ইরি ধান চাষে খরচ বেশি হওয়ার কারণে গত বছর কৃষকের মাঝে ধান চাষের আগ্রহ অনেক কম ছিল। ধান চাষের উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিল চাষীরা। কিন্তু গেল বছর আমন ধানের ভাল দাম পাওয়ায় চলতি বছরে ইরি মৌসুমে ধান চাষে আগ্রহী হয়েছে মানুষ। অনেকেই চাষাবাদ ছেড়ে দিলেও তারা আবার চাষে ফিরে এসেছে। যে কারণে গত বছরের চেয়ে এবার বেশি জমিতে ইরি ধান চাষ হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি ইরি মৌসুমে ঝিকরগাছা উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক ধান উৎপাদন হবে এমনটা আশা করছেন উপজেলা কৃষি অধিদফতর।

এ ব্যাপারে কথা হয় উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের কৃষক শিমুল কবীর, রেজাউল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, অহেদ আলী, আহম্মদ আলী, বাবুল আক্তার, মন্টু মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, মাস্টার মনিরুজ্জামান মিন্টু, আশরাফুল ইসলাম, তরিকুল ইসলামের সাথে। সকলের অভিমত প্রায় একই। তারা জানান, জমিতে ইরি ধান চাষে খরচ অনেক বেশি। পানির সেচ, সার, কীটনাশকসহ শ্রমিক খাটিয়ে লাভবান হওয়া খুবই কঠিন। কিন্তু আমন চাষের চেয়ে ইরি চাষে ফলন বেশি হওয়ার ফলে কৃষক লাভবান হয়। গত মৌসুমের মত ধানের দাম বেশি হলে কৃষক লাভের মুখ দেখবে। 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসরণ অধিদফতরের তথ্য মোতাবেক, চলতি বছরের ১৭ হাজার ৬শ’ হেক্টর জমিতে ইরি ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে ধান চাষ হয়েছে। ধান চাষের পরিমাণ ১৮ হাজার ২শ’ হেক্টর।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ জানান, গত মৌসুমে কৃষক ধানের দাম বেশি পাওয়ার চলতি মৌসুমে ধান চাষ অনেক বেড়েছে। ইরি চাষে বাম্পার ফলন হবে এবং কৃষক লাভবান হবে বলে আমরা আশা করছি।

 



আরও খবর