ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ● ১১ কার্তিক ১৪২৮

বাজারে ইলিশের দাম চড়া

Published : Thursday 30-September-2021 21:57:31 pm
এখন সময়: মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ২০:০৩:১১ pm

মুর্শিদুল আজিম হিরু : যশোরের বাজারে ইলিশ মাছ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। সেই সাথে অন্যান্য মাছের দামও বেশ চড়া। এরমধ্যে রসুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা কমেছে। বেড়েছে কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দাম। অপরিবর্তিত আছে চাল, ডাল, ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বৃহস্পতিবার শহরের বড়বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যান্য বছরের তুলনায় বাজারে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। দামও তাই এবার অনেক বেশি। ইলিশের সরবরাহ কম হওয়ায় অন্যান্য মাছের দাম অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি বড় সাইজের ইলিশ মাছ বিক্রি হয় ১ হাজার ২শ’ টাকা থেকে ১৪শ’ টাকা কেজি। সাড়ে ৫শ’ টাকা থেকে ৭শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় মাঝারি সাইজের ইলিশ। প্রতি কেজি জাটকা ইলিশ বিক্রি হয় ৩শ’৮০ টাকা থেকে ৪শ’ টাকা। রুই মাছ বিক্রি হয় ১শ’৮০ টাকা থেকে ২শ’২০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি কাতলা মাছ বিক্রি হয় ২শ’৫০ টাকা থেকে ৩শ’ টাকা কেজি। মৃগেল মাছ বিক্রি হয় ১শ’৬০ টাকা থেকে ১শ’৮০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা থেকে ১শ’৪০ টাকা কেজি। ১শ’২০ টাকা থেকে ১শ’৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় চিলবারকার্প। প্রতি কেজি পাবদা মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ৩শ’ টাকা কেজি। ৪শ’ টাকা থেকে ৬শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় শিং মাছ।

বাজারে ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে সবজি। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি কুশি বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হয় ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় করোলা। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধুন্দল। প্রতি কেজি ঝিঙে বিক্রি হয় থেকে ৫০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাঁকরোল। প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা পিচ বিক্রি হয় লাউ। ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ওল। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা কেজি। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাধাকপি ও পালংশাক।

বাজারে রসুনের দাম কমেছে। এরমধ্যে কেজিতে দাম কমেছে ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা বলে জানিছেন ব্যবসায়ীরা। বেড়েছে মরিচের দাম। প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ১শ’৬০ টাকা থেকে ১শ’৮০ টাকা।  ৪০ টাকা থেকে ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁয়াজ। আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৩০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয় ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি। আমদানিকৃত রসুন বিক্রি হয় ১শ’ টাকা। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ১৮ টাকা কেজি।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১শ’৪৫ টাকা। ১শ’৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ১শ’২৫ টাকা।

বাজারে ডালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা। ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৭০ টাকা। ৪২ টাকা থেকে ৪৪ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’৩৫ টাকা। ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।

বাজারে চালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি রতœা চাল বিক্রি হয় ৪২ টাকা থেকে ৪৫ টাকা। ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ ও কাজল লতা চাল। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫২ টাকা থেকে ৫৬ টাকা। ৫৪ টাকা থেকে ৬২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাসমতি চাল।



আরও খবর