ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ● ১১ কার্তিক ১৪২৮

যশোরে প্রাথমিকের ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী এখনো স্কুলের বাইরে

Published : Monday 27-September-2021 21:08:44 pm
এখন সময়: মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর , ২০২১ ২১:৫৫:২০ pm

মিরাজুল কবীর টিটো: ১৮ মাস পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও প্রাথমিকে শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ২০ শতাংশ। ৭৬ হাজার ৮২৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত থাকছে ১৫ হাজার ৩৩৬। করোনাকালিন সময়ে একস্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যাওয়া, জ¦র, কাশিসহ অন্যান্য রোগে অসুস্থ থাকা, ভয়ে ছেলেমেয়েদের স্কুলে না পাঠানো অনুপস্থিত থাকার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, যশোরের আট উপজেলায় মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭৬ হাজার ৮২৯। এর মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকছে ৬১ হাজার ৪৯৩। অনুপস্থিতির সংখ্যা ১৫ হাজার ৩৩৬ জন। এর মধ্যে শার্শায় মোট শিক্ষার্থী  ৮ হাজার ৯৭৫ । উপস্থিত ৭ হাজার ৫৩৯ । অনুপস্থিত  ১ হাজার ৪৩৬ জন। চৌগাছায় মোট শিক্ষার্থী  ৭হাজার ৯৫৬জন। উপস্থিত ৭ হাজার ৯। অনুপস্থিত  ৯৪৭ জন। ঝিকরগাছায় মোট শিক্ষার্থী ৯ হাজার ৫৫৪ জন। উপস্থিত ৮ হাজার ৮৬। অনুপস্থিত ১ হাজার ৪৬৮ জন। সদর উপজেলায় মোট শিক্ষার্থী ১৯ হাজার ৫৩১। উপস্থিত ১৪ হাজার ৬২। অনুপস্থিত ৫ হাজার ৪৬৯ জন। অভয়নগরে মোট শিক্ষার্থী  ৫ হাজার ২৯৫, উপস্থিত  ৪ হাজার ৫০৬। অনুপস্থিত ৭৮৯ জন। কেশবপুরে মোট শিক্ষার্থী  ৭ হাজার ৫৪২, উপস্থিত  ৬ হাজার ১৮৬ । অনুপস্থিত  ১ হাজার ৩৫৬ জন। মণিরামপুরে মোট শিক্ষার্থী  ১২ হাজার ৬০, উপস্থিত ৯ হাজার ৭৪২। অনুপস্থিত ২ হাজার ৩১৮জন। বাঘারপাড়ায় মোট শিক্ষার্থী ৫ হাজার ৯০৭, উপস্থিত  ৪ হাজার ৩৬৩। অনুপস্থিত ১ হাজার ৫৪৪ জন।

সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন,  আমরা অনুপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীর বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে খোঁজ করে জেনেছি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেক বাবা মা তাদের সন্তান বিদ্যালয়ে পাঠাচ্ছেন না। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে অনেক শিক্ষার্থী ঠাণ্ডা জ¦র, কাশিতে আক্রান্ত হওয়ায় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা অন্যতম কারণ। একই কথা বলেন উপশহর শহীদ স্মরনী সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শাহাজাদ হোসেন বাবু। সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অলিয়ার রহমান জানান সদরের প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে ভাসমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। করোনাকালিন সময়ে কাজ না পেয়ে এস শিক্ষার্থীর অভিভাবক অন্যথায় চলে গেছে। এ কারণে সদরে শিক্ষার্থী অনুপস্থিতির সংখ্যা বেশি। শিক্ষকরা এসব অভিভাবকের সাথে কথা বলে তাদের ছেলেমেয়ের ক্লাসে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম জানান, বিদ্যালয় খুললে অভিভাবক ও শিক্ষার্থী পরিবেশে পরিস্থিতি বুঝে উঠতে পারেনি। সেই সাথে প্রায় আবহাওয়া খারাপ যাচ্ছে। শিক্ষকরা মোবাইলে অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ করছে। আশা করা যায় এক সপ্তাহ পর অনুপস্থিতির হার অনেক কমে যাবে।