শপথ না নিলে আসন শূন্য

বিএনপির যে পাঁচজন নির্বাচিত হয়েছেন তারা বলছেন যে, শপথ গ্রহণ করবেন না। যদি তারা এটি না করেন তাহলে আইনি প্রক্রিয়াটা  কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রক্রিয়াটি হচ্ছে- গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদের বৈঠক হবে। এর পর ৯০ দিনের মধ্যে যদি কেউ শপথ গ্রহণ না করেন বা কোনো প্রকার রেসপন্স না করেন। তখন সংসদ সচিবালয় থেকেই এই পদটি শূন্য ঘোষণা করা হবে। গেজেট প্রকাশ করা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কাজ। বাকি সবগুলো সংসদ সচিবালয়ের কাজ। গেজেট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আমাদের আর কোনো কার্যক্রম থাকে না।  একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে স্পিকারকে অবহিত না করলে বা শপথ না নিলে সদস্য পদ খারিজ হবে।

সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদে সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা বলা আছে-

৬৭ (১) কোনো সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হইবে যদি-

(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর দান করিতে অসমর্থ হন:

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পিকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন; (খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক- দিবস অনুপস্থিত থাকেন;

(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়; (ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা

(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোনো সংসদ সদস্য স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন এবং স্পিকার কিংবা স্পিকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোনো কারণে স্পিকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পিকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।