ডু প্লেসির সেঞ্চুরিতে কোণঠাসা পাকিস্তান

ডু প্লেসির সেঞ্চুরিতে কোণঠাসা পাকিস্তান

সেঞ্চুরিয়ানের প্রথম টেস্ট জিতে ৩ ম্যাচ সিরিজে ১-০-তে এগিয়ে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। কেপ টাউনের দ্বিতীয় টেস্টেও কোণঠাসা সফরকারী পাকিস্তান।

টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষেই জয়ের পথটা তৈরি করে ফেলেছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বাগতিকদের এই জয় পথ তৈরির বড় কারিগর অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসি। তার সেঞ্চুরিতে ভর করে দ্বিতীয় দিন শেষেই দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে ফেলেছে ২০৫ রানের লিড।

মানে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের ১৭৭ রানের জবাব দিতে নেমে দ্বিতীয় দিন শেষেই দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩৮২ রান। মানে এখনই ২০৫ রানে এগিয়ে। তাদের হাতে রয়েছে আরও ৪টি উইকেট। পাকিস্তানকে কম রানে গুটিয়ে দিতে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম দিনেই তুলে ফেলে ২ উইকেটে ১২৩ রান।

এর সঙ্গে আজ দ্বিতীয় দিনে আরও ২৫৯ রান যোগ করেছে তারা। এই রান তুলতে তারা হারিয়েছে মাত্র ৪টি উইকেট। এই তথ্যই বলছে, দিনটা পাকিস্তানি বোলারদের কতটা হতাশায় কেটেছে। আজ অবশ্য দিনের শুরুতেই আউট হন আগের দিন অপরাজিত থাকা হাশিম আমলা। তিনি ঠিক আগের দিনের ২৪ রানেই ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। তাকে বিদায় করে দিনের শুভ সূচনা করেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আব্বাস।

এর একটু পর থিউনিস ডি ব্রুইনকেও ফিরিয়ে দেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ২৬ রানের মধ্যে ২ উইকেট তুলে নিয়ে সকালে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিতই দিয়েছিলেন পাকিস্তানি বোলাররা। কিন্তু তাদের সকালের সেই উইকেট উৎসবের রঙ হাওয়ায় মিলিয়ে যেতেও খুব সময় লাগেনি। ডু প্লেসি ও টেম্বা বাভুমা মিলে পঞ্চম উইকেটে ১৫৬ রানের জুটি গড়ে চরম চাপে ফেলে দেন পাকিস্তানকে। বাভুমা ৭৫ রান করে শাহীন শাহ আফ্রিদির শিকার হলেও ডু প্লেসি ঠিকই পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি।

দিনের শেষ বিকালে শাহীন শাহ আফ্রিদির শিকার হওয়ার আগে তিনি করেছেন ১০৩ রান। দিনের বাকি সময়টুকু নিরাপদেই কাটিয়ে দিয়েছেন কুইন্টন ডি কক ও ভারলন ফিল্যান্ডার। ডি কক ৫৫ ও ফিল্যান্ডার উইকেটে রয়েছেন ৬ রান করে। সারা দিনে যে ৪টি উইকেট তুলে নিতে পেরেছে পাকিস্তানি বোলাররা, তার ৩টিই নিয়েছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। অন্যটি নিয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস।

ম্যাচের যে গতিপ্রকৃতি, তাতে কেপ টাউনে হয়তো এরই মধ্যে ইনিংস হারের শঙ্কাই পেয়ে বসেছে পাকিস্তান শিবিরে।