সুবর্ণচরে গণধর্ষণের মূলহোতাকে আ’লীগ থেকে বহিষ্কার

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

সুবর্ণচরে গণধর্ষণের মূলহোতাকে আ’লীগ থেকে বহিষ্কার

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নে ভোটের রাতে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিন মেম্বারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘এখন থেকে দলের সকল কার্যক্রম থেকে রুহুল আমিন মেম্বারকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

এই বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চরজুবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হানিফ চৌধুরী, সহ-সভাপতি ছানা উল্যা বিকম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল বাসার প্রমুখ।

গত ৩০ ডিসেম্বর ভোট কেন্দ্রে ধানের শীষে ভোট দেয়া নিয়ে নৌকার এজেন্টদের সঙ্গে ওই নারীর তর্ক হয়। সে সময়ে তারা তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন।

পরে রাতে পেশায় অটোচালকের স্ত্রী ও চার সন্তানের জননীকে তাদের বাড়িতে এসে স্বামী-সন্তানকে বেঁধে রেখে ক্ষমতাসীন দলের নেতা রুহুল আমিন মেম্বারের নেতৃত্বে গণধর্ষণ করা হয়।

বর্তমানে ওই নারী নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখানে মারধরে আহত স্বামীও চিকিৎসাধীন।

ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই নারীকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. খলিল উল্যাহ।

পরে এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে চরজব্বর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তারা হলেন, মূলহোতা চরজুবলী ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন (৪০), প্রধান আসামি মো. সোহেল (৪০), মো. বেচু (২৫), মো. স্বপন (৩৫), বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু (৪০), জসিম উদ্দীন ওরফে প্রকাশ জইস্য (৩৫) ও হাসান আলী ভুলু (৬০)।