আনুষ্ঠানিকতা সারতে এক ঘণ্টাও লাগল না দ. আফ্রিকার

স্পন্দন স্পোর্টস ডেস্ক : কেপ টাউন টেস্টের ভাগ্য লেখা হয়ে গিয়েছিল তৃতীয় দিনেই। দক্ষিণ আফ্রিকার জয়, পাকিস্তানের হার। বাকি ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারার। জয়ের সেই আনুষ্ঠানিকতা সারতে এক ঘণ্টাও লাগেনি দক্ষিণ আফ্রিকার। মাত্র ৯.৪ ওভারেই স্বাগতিকরা ধরে ফেলেছে ৪১ রানের জয়ের লক্ষ্য। এই পথটুকু হাটতে অবশ্য একটি উইকেট হারাতে হয়েছে তাদের। তৃতীয় দিনেই নিশ্চিত হয়ে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের পরিধিটা তাই ৯ উইকেটের।

অনায়াস এই জয়ের মধ্যদিয়ে ৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজটাও দক্ষিণ আফ্রিকা পকেটে পুরে ফেলল এক ম্যাচ বাকি থাকতেই। সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছিল ৬ উইকেটে। এবার ৯ উইকেটে। ফলে ১১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া জোহানেসবার্গের শেষ টেস্টটা হয়ে গেল শুধুই আনুষ্ঠানিকতার।

আনুষ্ঠানিকতা আসলে সিরিজ জয়ের হিসেবে। নয়তো আনুষ্ঠানিকতায় রূপ নেওয়া জোহানেসবার্গের টেস্টও অন্য একটা দিক থেকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দুই দলের জন্য। দক্ষিণ আফ্রিকার নামবে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বপ্ন নিয়ে। পাকিস্তানের মিশনটা হবে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার লজ্জা এড়ানোর।

যাই হোক, কেপ টাউনে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের ১৭৭ রানের জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা করে ৪৩১ রান। মানে ২৫৪ রানের লিড পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশাল এই ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯৪ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। ফলে ২৫৪ রানের ঋণ শুধিয়ে পাকিস্তান লিড পায় মাত্র ৪০ রানের। মানে চতুর্থ ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়লক্ষ্য নির্ধারিত হয় মাত্র ৪১ রান।

টেম্বা ডি ব্রুইনের উইকেটটি হারিয়ে স্বাগতিকরা চোখের পলকেই পৌঁছে গেছে লক্ষ্যে। অবশ্য শুধু ডি ব্রুইনকে হারানো নয়। এই পথটকু পাড়ি দিতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার আরও এক ব্যাটসম্যানকে উইকেট ছেড়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যেতে হয়। আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন হাশিম আমলা। এরপর ডিন এলগার ও অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসি মিলে দ্রতুই তুলে নিয়েছেন জয়। এালগার অপরাজিত ২৪ ও ডু প্লেসি অপরাজিত ৩ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার একমাত্র উইকেটটি নেন মোহাম্মদ আব্বাস।

প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির সুবাদে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসি।